শিরোনামঃ
‎পিরোজপুরে স্কুল ফিডিংয়ের ৩০ প্যাকেট দুধ চুরি, স্থানীয়দের ক্ষোভ ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে রঙের প্রলেপ দেওয়া জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি জেনারেল হাসপাতালের পলেস্তারা খসে রোগী আহত ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা ৩০টি হাত বোমা একসঙ্গে বিস্ফোরণ:উড়ে গেল টিনের চাল সরকারি হাসপাতালে জন্ম নিলেই নবজাতক পাবে সোনার আংটি বরিশালে ৯ গম্বুজের প্রাচীন স্থাপনাটি এখন দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম রহস্যময় পথকুকুরের উপদ্রব থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে ‘ডগ শেড’উদ্যোগ চাঁদাবাজিতে বিএনপির দোসর পাটওয়ারীর তালিকায় যারা পুলিশে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আবেদন ফি ১১২ টাকা দুই নেতা হত্যার মামলায় সাবেক ডিআইজির সাক্ষ্যগ্রহণ

‎পিরোজপুরে স্কুল ফিডিংয়ের ৩০ প্যাকেট দুধ চুরি, স্থানীয়দের ক্ষোভ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Wednesday, September 30, 2026,
  • 29 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

পিরোজপুর প্রতিনিধি ::

পিরোজপুরের নেছারাবাদে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ করা পুষ্টিকর দুধের ৩০ প্যাকেট খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ১৪৮ নম্বর দক্ষিণ বিন্না কাইলান্তরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযোগ রয়েছে, একটি কার্টনের নিচের অংশ খুলে সেখান থেকে দুধের প্যাকেটগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের জন্য দুধ সংরক্ষণ করে রাখা হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুধ বিতরণের প্রস্তুতির সময় একটি কার্টন খোলা হলে এর ভেতরে প্যাকেট কম পাওয়া যায়। পরে হিসাব করে ৩০ প্যাকেট দুধের ঘাটতি ধরা পড়ে। ফলে নির্ধারিত দিনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুধ বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় স্থানীয় বিন্না ইয়ংমেন্স ক্লাবের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদিম মাহমুদ ও তাঁর বন্ধু রাশেদের বিরুদ্ধে দুধ সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার বিষয়ে চারজন শিক্ষার্থী ও একজন অভিভাবক সাক্ষী রয়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কত বড় কলিজা, স্কুল থেকে ছোট ছোট বাচ্চাদের দুধ চুরি করে খায়!’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাদিম মাহমুদ বলেন, গত ২৫ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) ওই এলাকায় নৌকা বাইচের আয়োজন ছিল। ওই সময় স্কুলে অতিথিদের জন্য ফল কাটার সময় দুধের প্যাকেটগুলো তাঁদের নজরে আসে। সেখান থেকে তাঁরা তিনটি প্যাকেট খেয়েছেন। তবে ৩০ প্যাকেট দুধ নেওয়া বা খাওয়ার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে দুধ বিতরণের আগে কার্টন খুলে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি প্যাকেট নেই। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে সরাসরি জানাব। তাই ফোনে বিস্তারিত কিছু বলতে চাইনি।’

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি এখনো আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo