শিরোনামঃ
১৮তম বিজেএসে বাজিমাত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের, জজ হলেন ৩ শিক্ষার্থী সুপার এল নিনোর ভয়াবহতায় বিশ্ব জুড়ে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী যুবক গুলিবিদ্ধ ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও ৮ জনের প্রাণ বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত, কিশোর সংশোধনাগারে সৌদি আরবের মক্কাসহ কয়েকটি অঞ্চলে জরুরি সতর্কতা জারি ভারতের মেঘালয়ে শিশু ও ছয় নারীসহ ১১ বাংলাদেশি আটক দেশে প্রাথমিকভাবে ৪ ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজের ১৫ ঘণ্টা পর স্কুলশিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার বরিশালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, নবজাতক সন্তান রেখে মারা গেলেন উদ্যোক্তা মাইশা

সুপার এল নিনোর ভয়াবহতায় বিশ্ব জুড়ে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Friday, September 25, 2026,
  • 16 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: সুপার এল নিনোর ভয়াবহতায় বিশ্ব জুড়ে সাড়ে ৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা

চলতি বছরের শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে বিশ্ব জুড়ে রেকর্ড দাবদাহ, তীব্র খরা, দাবানল ও পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে আগামী ছয় মাসে বিশ্ব জুড়ে অতিরিক্ত প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।
ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের এই ভয়াবহ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অন্যান্য স্বাভাবিক বছরের তুলনায় এ বছরের জুন থেকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাবে অতিরিক্ত ৪ লাখ ৫১ হাজার মানুষের তাপমাত্রাজনিত মৃত্যু হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে দরিদ্র দেশগুলোতে; যেসব দেশ ইতিমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন ও ইরান যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্যসংকট এবং জ্বালানির অতিরিক্ত মূল্যের সঙ্গে লড়াই করছে। গবেষণার সহলেখক ও ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের সহপ্রতিষ্ঠাতা মাইকেল গ্রিনস্টোন বলেন, ফেব্রুয়ারি নাগাদ এই এল নিনোর প্রভাব শেষ হওয়ার কথা থাকলেও গরমের ঝুঁকি ফেব্রুয়ারির পরও থাকতে পারে। আবহাওয়ার এই চরম পরিবর্তনের প্রভাব আগামী বছরের গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত অনুভূত হতে পারে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, এই গবেষণা স্পষ্ট করে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা বিশেষ করে সেসব স্থানে বেশি বিপজ্জনক, যেগুলো আগে থেকেই তুলনামূলক উষ্ণ ও দরিদ্র। গ্রিনস্টোন বলেন, আপনি যদি আগে থেকেই কোনো তপ্ত অঞ্চলে থাকেন, তাহলে তাপমাত্রা আর কয়েক ডিগ্রি বাড়া মানেই তা জীবনের জন্য বহু গুণ গুণ বেশি বিপজ্জনক হয়ে ওঠা। তিনি বলেন, ধনী দেশগুলোতে সাধারণত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি), নির্ভরযোগ্য পানি সরবরাহ ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বেশি থাকে।

গবেষণায় বিশ্ব জুড়ে ২৪ হাজারের বেশি অঞ্চলের স্থানীয় তাপমাত্রার প্রাক্কলন এবং তা মানুষের মৃত্যুতে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সেই তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষকরা গত তিন দশকের গড় তাপমাত্রার মৃত্যুর হারের সঙ্গে চলতি ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত পুরো এল নিনো সময়ের সম্ভাব্য মৃত্যুর হারের তুলনা করে এই অতিরিক্ত প্রাণহানির হিসাব বের করেছেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo