শিরোনামঃ
‎পিরোজপুরে স্কুল ফিডিংয়ের ৩০ প্যাকেট দুধ চুরি, স্থানীয়দের ক্ষোভ ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে রঙের প্রলেপ দেওয়া জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি জেনারেল হাসপাতালের পলেস্তারা খসে রোগী আহত ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা ৩০টি হাত বোমা একসঙ্গে বিস্ফোরণ:উড়ে গেল টিনের চাল সরকারি হাসপাতালে জন্ম নিলেই নবজাতক পাবে সোনার আংটি বরিশালে ৯ গম্বুজের প্রাচীন স্থাপনাটি এখন দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম রহস্যময় পথকুকুরের উপদ্রব থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে ‘ডগ শেড’উদ্যোগ চাঁদাবাজিতে বিএনপির দোসর পাটওয়ারীর তালিকায় যারা পুলিশে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আবেদন ফি ১১২ টাকা দুই নেতা হত্যার মামলায় সাবেক ডিআইজির সাক্ষ্যগ্রহণ

ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে রঙের প্রলেপ দেওয়া জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Wednesday, September 30, 2026,
  • 23 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে রঙের প্রলেপ দেওয়া জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি

এবার ইয়াবা নিয়ে সামনে এলো এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। মাত্র এক টাকার একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, বাজার থেকে কিনে তাতে লাল বা গোলাপি রঙের প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভুয়া ইয়াবা। এতে অজানা ওষুধ সেবনে মাদকাসক্তদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। জানা গেছে, রাজশাহীর আইডি বাগানপাড়া রেললাইন এলাকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই মাদক কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওই এলাকায় বিভিন্ন ধরনের মাদক কেনাবেচা হয়। মাদকসেবীদের আনাগোনাও চোখে পড়ে। এ ছাড়া নগরীর চন্দ্রিমা থানার বারো রাস্তা, বুধপাড়া, কোট ঢালান, গুড়িপাড়া, রাজশাহী নিউমার্কেট এলাকা, হরিপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় কৌশলে ইয়াবা এবং ইয়াবার আদলে ওষুধ বিক্রির চক্র গড়ে উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, এসব স্থানে চক্রগুলো প্রকৃত মাদকের পাশাপাশি ইয়াবার আদলে তৈরি রং করা মায়াবড়ি ও ডুরালাক্স ট্যাবলেট বিক্রি করছে। বিশেষ করে কম দামে মাদক পাওয়ার আশায়, অনেক তরুণ মাদকসেবী সেখানে ছুটে যাচ্ছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ইয়াবার আদলে এসব রং করা ট্যাবলেট মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি করা হয়। ট্যাবলেটের গায়ে লাল বা গোলাপি রঙের মার্কার বা সাইনপেনের কালি লাগিয়ে ইয়াবার রুপ দেওয়া হয়। পরে প্রকৃত ইয়াবা বলে মাদকসেবীদের কাছে জন্মনিয়ন্ত্রণ ও কোষ্ঠকাঠিন্যের এসব ওষুধ বিক্রি করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিছুক এক মাদকসেবী জানান, ঘন ঘন অভিযানের ফলে অনেকে ইয়াবা বিক্রি করছে না। একজনের কাছ থেকে দুই পিস ‘মাল’ (ইয়াবা) নিয়েছিলেন ২৮০ টাকা পিস হিসেবে। পরে খাওয়ার সময় দেখেন, সেগুলো ওষুধ। কারণ, ওই ওষুধ খাওয়ার পর তার পায়খানার বেগ অনেক বেড়ে গিয়েছিল। আরেকজনের জানান, এটা ইয়াবার মতো রূপ দেওয়া হয়। কিন্তু এটা মায়া বড়ি রং করে বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে মহানগর পুলিশের মুখপাত্র (উপ–পুলিশ কমিশনার) গাজিউর রহমান জানান, শুধু ইয়াবা নয়, সব ধরনের মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে মহানগর পুলিশ মাদক বিক্রির আস্তানা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং সেসব জায়গা থেকে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মায়া বড়ি ও ডুরালাক্স ইয়াবার আদলে বিক্রি করার বিষয়ে তিনি জানেন না।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo