নিউজ ডেস্ক :: জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও ৬৫ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহকের খরচ বাড়েনি
আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পেলেও দেশের ৬৫ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহকের জন্য মূল্য সরকার এখনো বাড়ায়নি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যত দ্রুত সম্ভব জ্বালানির দাম আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবেশুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যশোর সদর উপজেলার চূড়ামনকাটিতে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। এর প্রভাব দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতেও পড়েছে। তবে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব যতটা সম্ভব কম রাখতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য বাড়াতে হয়েছে। সৌদি আরব, দুবাই, কাতার বা আমেরিকায় তেলের মূল্য অনেক বেশি। তবে বিশ্ববাজার স্বাভাবিক হওয়া মাত্রই সরকার জনগণের স্বস্তির জন্য দাম কমিয়ে আনবে।’
কৃষি খাতে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা তুলে ধরে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, কৃষকের সেচ খরচ ও উৎপাদন ব্যয় কমাতে পর্যায়ক্রমে সেচ পাম্পগুলোকে সৌরবিদ্যুৎ তথা নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে হৈবতপুর ও লেবুতলা ইউনিয়নে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে যশোর সদর উপজেলার অধিকাংশ সেচ পাম্প সৌরশক্তিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে কৃষকের সেচ খরচ কমবে এবং কম ব্যয়ে ফসল উৎপাদন করে তারা বেশি লাভবান হতে পারবেন।
চূড়ামনকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দার ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক আনজুরুল হক খোকনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।