বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করতে চায় ব্রিটিশ কোম্পানি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Wednesday, July 22, 2026,
  • 24 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক :: বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করতে চায় ব্রিটিশ কোম্পানি

বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের বহুজাতিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম। ২০২৬ সালের অফশোর তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রমে অংশ নিতে প্রতিষ্ঠানটি দরপত্রের নথি কেনার উদ্যোগ নিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম পেট্রোবাংলাকে চিঠি দিয়ে বিদেশ থেকে দরপত্রের নথি কেনার অর্থ পাঠানোর জন্য ব্যাংক হিসাবের তথ্য চায়। এর জবাবে ১৯ জুলাই প্রয়োজনীয় ব্যাংক-সংক্রান্ত তথ্য পাঠানো হয়।

পেট্রোবাংলা জানায়, বাংলাদেশে ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের কোনো কার্যালয় না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি জানতে চেয়েছে, বিদেশ থেকেই অর্থ পাঠিয়ে দরপত্রের নথি কেনা যাবে কি না।

পেট্রোবাংলার উৎপাদন অংশীদারিত্ব চুক্তি বিভাগের পরিচালক প্রকৌশলী মো. শোয়েব বলেন, ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম ই-মেইলে ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছিল। তাদের প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে তাদের আগ্রহ ইতিবাচক বলে মনে করছে পেট্রোবাংলা।

আরও পড়ুন

সাত লাখ কৃষকের ৬০৫ কোটি টাকা ঋণ মওকুফ
এদিকে ২০২৬ সালের অফশোর তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রমের তথ্যপ্যাকেজ এখন পর্যন্ত ছয়টি প্রতিষ্ঠান সংগ্রহ করেছে। এগুলো হলো— বেরিঙ্গিয়া পাওয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড, ক্রিসএনার্জি, পিইএএল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড, ওনোডা ইনকরপোরেটেড, রিস্টাড এনার্জি এবং ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড।

পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা আশা করছেন, আগামী কয়েক মাসে আরও আন্তর্জাতিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এই দরপত্রে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখাবে।

আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার গত ২৪ মে বঙ্গোপসাগরের ২৬টি অফশোর ব্লকের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে। এর মধ্যে ১১টি অগভীর সমুদ্র এবং ১৫টি গভীর সমুদ্রের ব্লক রয়েছে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো ১ জুন থেকে দরপত্রের নথি সংগ্রহ করতে পারছে। প্রস্তাব জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ৩০ নভেম্বর।

সংশোধিত উৎপাদন অংশীদারিত্ব চুক্তিতে উন্নত আর্থিক সুবিধা, গ্যাসের হালনাগাদ মূল্য, অনুসন্ধানে নমনীয় শর্ত এবং নির্দিষ্ট শর্তে গ্যাস রপ্তানির সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গ্যাসক্ষেত্রের জন্য ২৫ বছর এবং তেলক্ষেত্রের জন্য ২০ বছরের উৎপাদন মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও ১০ বছর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অফশোর দরপত্রে কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান তথ্যপ্যাকেজ সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানই প্রস্তাব জমা দেয়নি। এবার ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের আগ্রহকে বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টর

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo