শিরোনামঃ
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, টানা ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস ১০ লাখ টাকায় মাদকের চালান ছেড়ে দিলেন ৪ পুলিশ কর্মকর্তা তিনবার তুষারধস থেকে ফিরে  রোমাঞ্চকর অভিযানের গল্প শোনালেন বরিশালের সন্তান  এভারেস্টজয়ী মুহিত বরিশালে মহিলা আ.লীগ নেত্রী ও ইউপি সদস্য শিলার আত্মহত্যা এক কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি বাকেরগঞ্জের ছাত্রাবাস ৩৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত: এখন অপরাধীদের আখড়া বরগুনায় অভিযানে ৩৫০০ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার ১ বিকাশে কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন, পিরোজপুরে ২ যুবক আটক থানচি-তিন্দুমুখ নৌপথ ৩০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো মসজিদকে মন্দির দাবি, বিজেপি নেতার শিবলিঙ্গ স্থাপনের ঘোষণা

১০ লাখ টাকায় মাদকের চালান ছেড়ে দিলেন ৪ পুলিশ কর্মকর্তা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Sunday, July 26, 2026,
  • 17 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: ১০ লাখ টাকায় মাদকের চালান ছেড়ে দিলেন ৪ পুলিশ কর্মকর্তা।

১০ লাখ টাকার বিনিময়ে অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকের চালান ও প্রাইভেটকার ছেড়ে দিয়েছেন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার চার পুলিশ কর্মকর্তা। গোপন চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে নেওয়া এই অনৈতিক সমঝোতার বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজে প্রকাশ পেয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে অভিযুক্ত চার পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ (ক্লোজড) করা হয়েছে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার। একই সঙ্গে তাদের লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন— হাতীবান্ধা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তুহিন, এসআই রিমন মিয়া, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হাকিম এবং এএসআই লুৎফর রহমান।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতীবান্ধা উপজেলার বোর্ডের হাট বাজারের পূর্ব পাশে এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে যৌথ অভিযান চালান ওই চার কর্মকর্তা। সেখান থেকে একটি প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হলেও আলামত থানায় না নিয়ে তারা ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিয়ে যান। সেখানে স্থানীয় কয়েকজনের উপস্থিতিতে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে আটককৃত যানবাহন ও মাদক ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাটির প্রমাণ মেলে। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনা ধামাচাপা দিতে এএসআই আব্দুল হাকিম ইউপি কর্মচারীর ফোন থেকে ফুটেজ মুছে ফেলার চেষ্টাও করেন। পরদিন ভবানীপুর গ্রামে অন্য একটি অভিযানে গেলে স্থানীয়দের তীব্র বাধার মুখে ফিরে আসতে বাধ্য হয় পুলিশ, যার পরপরই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে এবং তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

হাতীবান্ধা থানার ওসি জানান, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই ওই চার কর্মকর্তাকে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo