শিরোনামঃ
শিবগঞ্জ সীমান্তে ৪০ ভারতীয় মোবাইলসহ যুবক আটক স্বপ্নছায়া ফাউন্ডেশন’-এর বিনামূল্যে হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ: গ্রামীণ নারীদের আত্মনির্ভরশীলতার নতুন দিগন্ত বরিশালের সন্তান ভারতবর্ষের প্রথম নারী চিকিৎসক শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী বাজারে চড়া সবজির দাম, মাছেও নেই স্বস্তি দ্বিতীয় বিয়ে করতে গেলেই অনলাইনে মিলবে আগের বিয়ের তথ্য: আইনমন্ত্রী বরিশালে স্ট্যালিন কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান ও তার সহযোগী ধারালো অস্ত্রসহ আটক ট্রাম্পের সঙ্গে ছবি শেয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের বাসের টিকিট নিয়ে দুই উপজেলার বাসিন্দাদের সংঘর্ষ, আহত ১০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে অসম্মানজনক ও অবমাননাকর শব্দের প্রতিবাদ জামায়াতের

৫ বছরের শিশু ধর্ষন ও হত্যায় চাচাত ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Thursday, July 9, 2026,
  • 82 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: ৫ বছরের শিশু ধর্ষন ও হত্যায় চাচাত ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় আসমা আক্তার (৫) নামে এক শিশুকে ধ/র্ষ/ণের পর শ্বাসরোধে হ/ত্যা/র দায়ে তার চাচাতো ভাই শাহাদাত হোসেন (২৬) কে মৃ/ত্যু/দন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জেলার বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদাত উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নি/হ/তের চাচাতো ভাই।
নারীও শিশু দ/ম/ন ট্রাইব্যুনালের পিপি সেলিম শাহী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদেশে আরও বলা হয়েছে মৃ/ত্যু না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখতে। রায় ঘোষনার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এর আগে তিন দফা রায়ের তারিখ পরিবর্তনের পর ৬ জুলাই রায় ঘোষণার চূড়ান্ত দিন ধার্য করা হয়েছিল।
আদালত ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, নিহত আসমা আক্তার চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে। সাজাপ্রাপ্ত একমাত্র আসামি শাহাদাত হোসেন একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে এবং
নি/হ/ত শিশুটির সম্পর্কে চাচাত ভাই।
২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় পাঁচ বছরের শিশু আসমা। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ ৯ দিন পর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আসামি শাহাদাতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আ/স/মা/র অ/র্ধগ/লিত
ম/র/দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরই শাহাদাতকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রে/প্তার করা হয়।

মা/ম/লার তদন্ত চলাকালে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে গা শিউরে ওঠা বর্ণনা দেন আসামি শাহাদাত। তিনি স্বীকার করেন, ঘটনার দিন দুপুরে তিনি শিশু আসমাকে
ধ/র্ষ//ণ করেন। ধ/র্ষ//ণের পর বিষয়টি সবার কাছে প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি অবুঝ শিশুটিকে নি/র্ম/মভাবে শ্বাসরোধে হ/ত্যা করেন। পরবর্তীতে আলামত গোপন করতে
ম/র/দে/হটি বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন।

সে সময় এই পাশবিক হ/ত্যা/কা/ণ্ডের ঘটনাটি জানাজানি হলে নোয়াখালীজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। আসমা হ/ত্যা/র দ্রুত বিচার ও আসামির ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে টানা মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo