নিউজ ডেস্ক :: ঘরে মা-সন্তানসহ ৫ মরদেহ, হত্যাকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ওসি
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে সন্দেহের তির যাচ্ছে নিহত গৃহবধূর স্বামী ফোরকান মিয়ার দিকে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত
শনিবার (৯ মে) চ্যানেল 24-কে এসব তথ্য জানান কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুর আলম।
তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর ঘাতক স্বামী ফোরকান মিয়া নিজেই তার আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে খুনের বিষয়টি জানান। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। সবকিছু বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে স্বামীকেই আমরা খুনি হিসেবে সন্দেহ করছি।
ফোরকানের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার সদর এলাকায়। তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে রাউৎকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শনিবার সকালে ঘরের ভেতর মরদেহগুলো পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন সন্তানের গলাকাটা মরদেহ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। শারমিনের ভাই রসুলের মরদেহ ছিল বিছানার ওপর। মা শারমিনের হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ জানালার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানান, একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাক উজ্জামান জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং প্রাথমিকভাবে ফোরকান মিয়াকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করেছে