শিরোনামঃ
ভারত ফারাক্কা আটকালে আমরা তিস্তা আটকাবো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিএনপিকে চাঁদাবাজ বললে বিচার করবে জনগণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নগরীতে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ে জড়িত ৪৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি পুনরায় চাহিদার ৪০ ভাগের ওপরে, ফলে দিনরাত ২৪ ঘণ্টাই ভয়াবহ লোডশেডিং বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম আত্মহত্যা মামলায় দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে এমপি গাজী নজরুলের আপস-মীমাংসা শ্বশুরবাড়িতে জামাইকে গলাকেটে হত্যা হজযাত্রীদের জন্য নতুন প্যাকেজ ঘোষণা সৌদি আরবের এই পাঁচ রোগে নীরবে বাংলাদেশে আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে

বিছানা থেকে নিখোঁজ ১১ মাসের শিশু, সেফটিক ট্যাংকে মিলল মরদেহ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Tuesday, July 28, 2026,
  • 64 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বিছানা থেকে নিখোঁজ ১১ মাসের শিশু, সেফটিক ট্যাংকে মিলল মরদেহ

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর গুচ্ছগ্রামে নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার পর একটি সেফটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে ১১ মাস বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শিশুটির নাম আমির হামজা। সে সাব্বির মিয়া ও সাবিকুন নাহার দম্পতির একমাত্র সন্তান। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জানা যায়, শিশুটি সকালে নিখোঁজ হলে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন আশপাশে অনুসন্ধান শুরু করেন। একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গ্রামের একটি সেফটিক ট্যাংকের ভেতরে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শিশুটিকে হারিয়ে দিশেহারা মা সাবিকুল নাহার। তিনি জানান, আমার ছেলেরে সকালে আমার স্বামীর পাশে বিছানায় ঘুমে রেখে যাই। পরে আমি বাসায় এসে দেখি আমার ছেলে নাই। আমার স্বামীকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমার আমির হামজা কই। আমার স্বামী বলে আমি তো ঘুমে ছিলাম জানি না। অনেক খোঁজাখুজি করে পাইনি। পরে বাথরুমের সেফটি ট্যাংকের মধ্যে পাওয়া যায়। আমার ছেলে হাঁটতে পারে না। সে এখানে কীভাবে গেলো। আমার ছেলেরে যারা মারছে তাদের বিচার চাই।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন সেখ বলেন, শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছি। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo