শিরোনামঃ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের মন্তব্যের জের বিএমএসএফ প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে তাপপ্রবাহের মধ্যেই আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস আজ বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬: ৩০টি ওয়ার্ডের ২২০টি কেন্দ্রের সম্পূর্ণ তালিকা বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের রূপরেখা দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট : আলতাফ হোসেন চৌধুরী কালের সাক্ষী বাকেরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী চরামদ্দি মুগা খান জামে মসজিদ পরিবেশ দূষণকারী বরিশালের সেই কারখানা সপ্তাহখানেকের মধ্যে বন্ধের হিজলায় অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার বরিশালে বেডরুমের এসিতে মিলল ৪টি কালনাগিনী সাপ পিরোজপুরে ট্রাকভর্তি সরকারি বই-খাতা জব্দ যাত্রাবাড়ী থেকে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ, ১৩ দিনেও খোঁজ মেলেনি

রাতভর ড্রেজার-ট্রাকের দৌরাত্ম্য, নদীভাঙনে বিলীন গ্রাম: বরিশালের তালতলীর কাগাশুরা-সাফানিশায় বালু সিন্ডিকেটের তাণ্ডব”

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Sunday, June 28, 2026,
  • 22 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :: রাতভর ড্রেজার-ট্রাকের দৌরাত্ম্য, নদীভাঙনে বিলীন গ্রাম: বরিশালের তালতলীর কাগাশুরা-সাফানিশায় বালু সিন্ডিকেটের তাণ্ডব

বরিশালের তালতলী নদীপাড়ে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বালু পরিবহনের কারণে ভয়াবহ দুর্ভোগে পড়েছেন কাগাশুরা-সাফানিশা নদীপাড় সংলগ্ন গ্রামের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতভর ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে খোলা স্থানে ফেলা হচ্ছে। পরে সেই বালু বহনে ব্যবহৃত ট্রাকগুলো বেপরোয়া গতিতে চলাচল ও উচ্চ শব্দে হর্ন বাজিয়ে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে।

স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, গভীর রাতে ট্রাকের বিকট শব্দ ও অবিরাম চলাচলের কারণে শিশু-কিশোরদের ঘুম ব্যাহত হচ্ছে। অসুস্থ ও বয়স্ক মানুষ আরও বেশি শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। শান্ত আবাসিক এলাকাটি এখন যেন বালু ব্যবসার কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, তালতলী নদীতে নিয়মিত বালুবাহী বলগেট ও বড় বড় জাহাজ চলাচলের কারণেও তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে কাগাশুরা ও সাফানিশা মধ্যবর্তী গ্রামের বিস্তীর্ণ অংশ ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রতিদিন নদী ভাঙনের ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ।

স্থানীয় জমির মালিক কালাম বিশ্বাস বলেন, “আমি নদীর পাড়ের জমি ভাড়া দিয়েছি। জমিটা দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। সেখান থেকে কিছুটা আয় হবে ভেবেছি।”

অন্যদিকে বালু ব্যবসায়ী নাছির খান বলেন, “আমি এখানে ইতোমধ্যে অনেক ইনভেস্ট করেছি। এখন ফেরার কোনো উপায় নেই। বালুর ব্যবসা হলে ট্রাক তো রাতেই চলবে। এতে কেউ সমস্যা মনে করলে সমস্যা, না করলে কিছু না।”

এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের নীরবতায় দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে বালু সিন্ডিকেট। দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, রাতের ট্রাক চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই তালতলী নদীপাড়ের আরও কয়েকটি গ্রাম নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo