শিরোনামঃ
এবার ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ বিল ২৯ হাজার টাকা এশিয়াজুড়ে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা, সতর্ক করলেন জয়শঙ্কর প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ হত্যা: বেরোবির তিন শিক্ষকসহ ১১ জন হারালেন চাকরি ডেঙ্গুতে চলতি বছরে ২৪৯ মৃত্যু, সেপ্টেম্বরে প্রাণ গেছে ১৫২ জনের স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ায় সন্ত্রাসী দিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণ করালেন স্ত্রী মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির ২ গ্রুপের সংঘর্ষ- গুলি নিহত ১ অবশেষে ভুল বোঝাবুঝির অবসান, থানায় গিয়ে ডাঃ তহুরা আক্তারের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ প্রত্যাহার বরিশালে তালাবদ্ধ ঘরে মিললো স্কুল শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা লাশ জুমার দিনের হারিয়ে যাওয়া ৮ গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও আমল

দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে ৬ টুকরো করে হত্যা করলো প্রথম স্ত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Friday, July 3, 2026,
  • 76 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে ৬ টুকরো করে হত্যা করলো প্রথম স্ত্রী

 

ঢাকার মহাখালী এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ ছয় টুকরো করার ঘটনায় স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার ১৬ তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু এ রায় দেন।

রায়ে মরদেহ গুমের দায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম সাজা দেয়া হয়েছে তাকে। এ তথ্য জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শফি নেওয়াজ নাসির।

 

রায় ঘোষণার সময় ফাতেমাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩০ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের আমতলী এলাকায় নীল রঙের ড্রামের মধ্যে বনানী থানা-পুলিশ একজন পুরুষ ব্যক্তির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে। একই দিন রাত ১১টার পর মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছে একটি ব্যাগের মধ্যে উরু থেকে খণ্ডিত দু’টি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দু’টি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা-পুলিশ।

 

দুই দিনে আলাদা আলাদা স্থান থেকে লাশের ছয় টুকরো উদ্ধার করা হয়।

এরপর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয় ফাতেমাকে। গ্রেপ্তারের পর ফাতেমা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

ফাতেমা পুলিশকে জানান, পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বন্টন ও একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে ময়না মিয়া ওরফে শাকিলের সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়। একপর্যায়ে ফাতেমা পরিকল্পনা করে তার অটোরিকশা চালক স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করেন এবং পরে জবাই করে লাশ ছয় টুকরো করেন। একটি লাল রঙের কাপড়ের ব্যাগে মাথা, শরীরের মূল অংশকে একটি নীল রঙের পানির ড্রামে এবং খণ্ডিত দুই পা ও দুই হাতকে একটি বড় কাপড়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখেন ফাতেমা। এরপর ১ হাজার ৩০০  টাকায় রিকশা ভাড়া করে প্রথমে আমতলী এলাকায় শরীরের মূল অংশ ফেলে দেন। পরে মহাখালী এনা বাস কাউন্টারের সামনে খণ্ডিত দুই হাত, দুই পা ভর্তি ব্যাগ রেখে  চলে যান বাসায়। সেখান থেকে খণ্ডিত মাথা রাখা ব্যাগটি নিয়ে বনানী ১১ নম্বর ব্রিজের পূর্ব পাশ থেকে গুলশান লেকে ফেলে দিয়ে বাসায় আসেন।

এ ঘটনায় ময়না মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একই বছরের  ১ জুন মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর ফাতেমাকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০২৩ সালের ১২ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালতে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo