ভোলায় মেয়ের আত্মহত্যার তিন মাসের মাথায় পুলিশ কনস্টেবল বাবার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ভোলা প্রতিনিধি ::: ভোলায় মেয়ের আত্মহত্যার তিন মাস পরে জজ আদালতে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন ফকির (৪২) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ভোলা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের অফিসারপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত শাহাবুদ্দিন ফকির বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার আদালতে দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও শাহাবুদ্দিন কর্মস্থলে যাননি। এরপর সহকর্মীরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন তাঁকে। যোগাযোগ না পেয়ে সহকর্মীরা বাসায় যান। সেখানে গিয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখে ভোলা সদর মডেল থানায় খবর দিয়ে দরজাটি ভেঙে পুলিশের দল সামনের কক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
বরিশাল জেলা তথ্য
শাহাবুদ্দিন ওই বাসায় একাই থাকতেন বলে জানা গেছে। তাঁর স্ত্রী ১০ দিন আগে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। বর্তমানে এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে, চলতি বছরের ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র মেয়ে তৈয়বা জাহান চৈতি (১৬) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। মেয়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠতে না পেরে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন কি না, এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে এখন কিছু জানায়নি