ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Thursday, September 24, 2026,
  • 18 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

প্রতারণা, জাল-জালিয়াতি ও প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা দুই মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী মফিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পরোয়ানা জারি হওয়া অন্য চার আসামি হলেন ফুডপান্ডার কো-ফাউন্ডার ও ডিরেক্টর জুবায়ের সিদ্দিকী, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক, ডিরেক্টর ডেলিভারি মো. তাবারেজ খান (ভারতীয় নাগরিক) ও সিনিয়র ম্যানেজার ও ডিরেক্টর মোহাম্মদ সাজেদুল হক।

আইনজীবী জানান, আদালতের নির্দেশে গুলশান থানা পুলিশ মামলা দুটি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। আদালত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ‘প্রোটিন অ্যান্ড পেরিশেবল’ (পিএনপি) প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির বাদী হয়ে গত বছরের ৩ জুলাই আদালতে মামলাগুলো দায়ের করেন। ২০২২ সালের ২৩ জুন ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী তিনি দেশীয় ও আমদানীকৃত ফলমূল এবং সবজি সরবরাহ শুরু করেছিলেন।

বাদী অভিযোগ করেন, শুরুর দিকে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করা হলেও পরবর্তীতে আসামিরা জালিয়াতির আশ্রয় নেন। বাদীর ১ লাখ টাকার কেনাকাটার অর্ডারের বিপরীতে ব্যাংকে মাত্র ১ থেকে ১০০ টাকার মতো নগণ্য পরিমাণ অর্থ জমা দেওয়া হতো। এছাড়া, ভুয়া ব্যক্তিদের স্বাক্ষর ব্যবহার করে এবং একই দিনে একাধিক স্থানে ভুয়া ‘রিটার্ন টু ভেন্ডর’ (আরটিভি) স্লিপ তৈরি করে পণ্য ফেরত দেখানোর অজুহাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রেখে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে যে, তাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত ফৌজদারি মামলা দেওয়া হয়েছে, তা মূলত একটি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক বিরোধের কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে। বশির নিজের দায় এড়াতে এবং প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের হয়রানি করতে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে প্রতিশোধমূলক কৌশল হিসেবে এসব পদক্ষেপ নিয়েছেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo