শিরোনামঃ
সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে জালিয়াতি, প্রতারণা ও ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি, এলজিইডির প্রকৌশলীর বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক দুই দিনের সফরে কাল বরিশালে আসবেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ, গ্রেপ্তারের আবেদন বরিশালে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে জরিমানা বরিশাল সদর প্রাণিসম্পদ দপ্তরে ভুয়া তালিকা ও জাল স্বাক্ষরে প্রশিক্ষণ ফান্ডের অর্থ আত্মসাৎ বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে ৭০ ‘মৃত্যুফাঁদ’, পাঁচ বছরে প্রাণ গেছে ২৪০০ মানুষের ঝালকাঠিতে ডাকাতির অভিযোগে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আটক হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণ ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, ঘণ্টায় ৫০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ

কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান এখন ধ্বংসস্তূপ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Friday, October 14, 2022,
  • 319 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান। সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ জাতীয় উদ্যানটি রক্ষায় কোনো কার্যকরী উদ্যোগ না থাকায় এটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত উদ্যানটি কোনো কাজে আসছে না। অব্যাহত ভাঙনে আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে গেছে ঝাউবন আর পিকনিক স্পটসহ মূল্যবান অবকাঠামো। ফলে বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন পর্যটকসহ স্থানীয়রা।

জানা গেছে, কুয়াকাটা পর্যটন এলাকা ও ফাতরার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে উপকূলীয় বন বিভাগ তিন হাজার একর জমিতে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান স্থাপন করে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে এখানে নেওয়া হয় নানা পরিকল্পনা। খনন করা হয় বিশাল মনোরম লেক, নির্মাণ করা হয় বেশ কয়েকটি পিকনিক সেড, রোপণ করা হয় দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির গাছপালা। যা অল্পদিনের মধ্যেই পর্যটকসহ সকলের কাছে দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়।

কিন্তু ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সুপার সাইক্লোন সিডর কুয়াকাটা উদ্যানটি লন্ডভন্ড করে দেয়। ধ্বংস হয়ে যায় রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্টসহ সব স্থাপনা। ২০১০ সালে পার্কটি জাতীয় উদ্যানে রূপান্তরিত করা হলেও সিডর পরবর্তী সময়ে এখানে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়ায় আস্তে আস্তে সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় ফাতিমা আক্তার বলেন, ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান স্থাপন করা হয়েছিল। তবে কর্তৃপক্ষ জাতীয় উদ্যানটি রক্ষায় কোনো কার্যকরী উদ্যোগ না নেওয়ায় তা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বিনোদনের জন্য উদ্যানটি রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কার করে সুস্থ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা দরকার। এতে পর্যটকরা নতুন একটি বিনোদনকেন্দ্র পাবে।

শরীয়তপুর থেকে আসা পর্যটক মামুন বলেন, জাতীয় উদ্যানটি রক্ষায় এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, উদ্যানটি রক্ষার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo