শিরোনামঃ
মৃত্যুর আগে ছোট্ট যে কালিমা হতে পারে জান্নাতের উসিলা দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের গহনার দাম বরিশালে ৭৯৭ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নই হবে বিলকিস জাহান শিরীনের প্রশাসনিক নেতৃত্বের আসল মূল্যায়ন নলছিটিতে সড়ক খুঁড়ে সুড়ঙ্গে ড্রেজারের অবৈধ পাইপ: ঝুঁকিতে নদীপাড়ের মহাসড়ক বরিশালে উদ্ধার হওয়া ২০টি হারানো মোবাইল ফেরত পেলেন গ্রাহকরা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৬৪৭ কোটি টাকার বাজেট পেশ আগস্টের জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ আব্দুর রহমান বিশ্বাস ও হাফিজ উদ্দিনের অনন্য মেলবন্ধন একই পথ, একই বিদ্যাপিঠ, একই শীর্ষাসন ঐতিহ্যবাহী দুর্গাসাগরের সৌন্দর্য্য রক্ষা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান খাল পুনঃখনন শেষে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ১ কোটি ২ লাখ টাকা ফেরত দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজ

ভোলায় তাবলিগের ১৫ মুসল্লিকে নেশাদ্রব্য খাইয়ে টাকা লুট

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Saturday, June 3, 2023,
  • 373 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

ভোলায় তাবলিগ জামায়াতে আসা ১৫ জন মুসল্লিকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে টাকা-পয়সা লুট করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর সবার জ্ঞান ফিরেছে। এর আগে এদিন সকালেই ওই ১৫ মুসল্লিকে অসচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ফজলুর রহমান মাস্টার বাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

মুসল্লিরা হলেন- মো. আনছানার আলী, মাওলানা আরিফ, বাবুল হক, মোখলেছ, সাইদুর রহমান, মেহেরাব আলী, আক্কাস আলী, তোফাজ্জল হোসেন, আক্কাস আলী, মোহাম্মদ হোসেন বাবুল, আবু বকর সিদ্দিক, দেলোয়ার হোসেন, মো. জালাল হোসেন, আবদুল কাদের ও মুফতি আমিনুল ইসলাম। ১৫ জনের মধ্যে দিনাজপুরের ১১ জন, ফরিদপুরের দুজন, কুমিল্লার একজন ও বগুড়ার একজন।

জানা গেছে, এক চিল্লার একটি জামায়াত বুধবার ঢাকার টঙ্গী থেকে ভোলার মারকাজ মসজিদে আসেন তারা। সেখান থেকে পরদিন সকালে তাদের ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ফজলুর রহমান মাস্টার বাড়ি জামে মসজিদে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে খাবার খেয়ে তারা সবাই মসজিদে ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের খাবারের সঙ্গেই নেশাজাতীয় কিছু মেশানো ছিল বলে তারা ধারণা করছেন। শুক্রবার সকালে ফজরের নামাজ পড়তে এসে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ মুসল্লিরা তাদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তাদের সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাতের যেকোনো সময় তাবলিগের মুসল্লিরা অচেতন হয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা তাদের সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা নিয়ে গেলেও মোবাইল বা অন্য কোনো মালামাল নেয়নি। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খাবারে নেশা মেশানো হয়েছে বলে ধারণা স্থানীয়দের। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, খাবারের পরপরই অচেতন হয়ে পড়েন সবাই।

সদর থানার ওসি মো. শাহীন ফকির জানান, ঘটনাটি খুবই কষ্টকর। এ ঘটনায় জেলা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সাইবার ক্রাইম অনুসন্ধান শুরু করেছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo