শিরোনামঃ
ইরানকে ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের, ‘শিগগিরই জানতে পারবেন’—নতুন হামলার সিদ্ধান্ত আসছে? পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই নদীর পাড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে অবৈধ ইটভাটা। বরিশালে দরপত্র বাতিলের পরও কোথাও উচ্ছেদ অভিযান, কোথাও চলছে ভরাটের মহোৎসব বরিশালে বার্ষিক পরীক্ষা দিতে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ : জুতা ও প্রবেশপত্রের সূত্র ধরে মিললো স্কু°লছা°ত্রীর মর°দেহ বরিশাল জেলা-উপজেলায় চক্ষু বিশেষজ্ঞ নেই, ভরসা শের-ই-বাংলা মেডিকেল বরিশালসহ তিন বিভাগে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, সোমবার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা ভোলা থেকে মিয়ানমারে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সারসহ আটক ৮ যে আমলের কারণে সাহাবিকে জান্নাতি বলেছিলেন মহানবি (সা.) প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিনেই খুলনায় বিএনপি নেতার ছেলেকে গু’লি করে হ’ত্যা টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গুলিতে আহত সেনাসদস্যের মৃত্যু

বরিশাল রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে একই ফ্লোরে হাম ও সাধারণ শিশু রোগীর চিকিৎসায় সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Friday, August 28, 2026,
  • 75 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে একই ফ্লোরে হাম ও সাধারণ শিশু রোগীর চিকিৎসায় সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা।

বরিশালের রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে একই ফ্লোরে হাম আক্রান্ত শিশু এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে হাসপাতালের সাধারণ শিশু রোগীদের মধ্যে হাম ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন রোগীর স্বজনরা।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিজারিয়ানের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশু এবং সামান্য সর্দি-কাশি কিংবা অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের হাসপাতালের পাঁচতলার কেবিন ও শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। একই সময়ে হাম আক্রান্ত শিশুদেরও কাছাকাছি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, কিছু শিশু অন্য উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর কয়েকদিনের মধ্যে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হচ্ছে। এ নিয়ে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তারা উল্লেখ করছেন, হাম আক্রান্ত শিশু এবং সাধারণ শিশু—উভয় ধরনের রোগীর চিকিৎসা ও পরিচর্যায় একই চিকিৎসক, নার্স কিংবা অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা যুক্ত থাকছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যথাযথ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকলে হাত, পোশাক, চিকিৎসা সরঞ্জাম কিংবা হাসপাতালের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থান ও বায়ুবাহিত সংক্রমণের মাধ্যমে হাম ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। বিশেষ করে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই হাম আক্রান্ত রোগীদের পৃথক রাখা, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে সংক্রমণ প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
এ ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা who এর নির্দেশনা রয়েছে যে হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় হাসপাতালের রোগীকে আলাদা রাখা এবং এয়ারবর্ন প্রিকশন বা বায়ুবাহিত সতর্কতা মেনে চলতে হবে কারণ এই ভাইরাস রোগী চলে যাওয়ার পরেও বাতাসে ২ ঘন্টা জীবিত থাকে। তাই অবশ্যই হাম আক্রান্ত রোগীদের সাধারণ রোগীদের থেকে আলাদা ফ্লোরে রাখতে হবে। কিন্তু রাহাত আনোয়র হাসপাতাল এসব নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নিজেদের মতো করে একই ফ্লোরে এ ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা প্রদান করছেন।

এ ব্যাপারে রোগীর স্বজনরা হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য পৃথক আইসোলেশন ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সাধারণ শিশু রোগীদের হাম আক্রান্ত রোগীদের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্বে রাখা এবং হাসপাতালের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo