শিরোনামঃ
জুমার দিনে যে ৫ আমলে মিলতে পারে বিশেষ সওয়াব, জানুন ইসলামের নির্দেশনা বরিশালে নগর কর্তৃপক্ষের এমন ঢিলেঢালা ভূমিকায় হিলভিউ হাউজিংয়ের রাজত্ব। বানারীপাড়ায় সেপটিক ট্যাংকে প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের ঝালকাঠিতে ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারি গ্রেপ্তার সিঁদুর খেলার আনন্দের মাঝেই নববধূর মৃত্যু কান্না থামাতে ৮ মাসের শিশুকে হত্যা তিন বছর পর মা গ্রেফতার শিশু চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘চাম্পি’, বাতিল ২০০ ফ্লাইট সাংবাদিক হত্যাসহ অপরাধের বিচার হবে প্রচলিত আইনে: তথ্যমন্ত্রী

নভেম্বরে শুরু ডিসেম্বরে ভয়াবহ রূপ নেওয়ার আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Thursday, October 22, 2026,
  • 23 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: নভেম্বরে শুরু ডিসেম্বরে ভয়াবহ রূপ নেওয়ার আশঙ্কা, সতর্ক করলো জাতিসংঘ

প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রের তাপমাত্রা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। এল নিনো আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে বন্যা, খরা ও তীব্র তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

বুধবার (২১ আগস্ট) প্রকাশিত বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এল নিনো অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। আগামী নভেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে। ডিসেম্বরের দিকে এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো বলেন, সংস্থাটির রেকর্ডে আগে কখনো তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই মাত্রা দেখা যায়নি। অতীতে শক্তিশালী এল নিনোর সময় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছিল। তখনও বিশ্বজুড়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছিল। এবার সেই সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এল নিনো হলো প্রাকৃতিক জলবায়ুচক্র এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশনের উষ্ণ পর্যায়। এটি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের ধরনে প্রভাব ফেলে। সাধারণত এল নিনোর সময় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়ে এবং কোথাও খরা, আবার কোথাও অতিবৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এল নিনো নিজে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্টি হয় না। তবে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে এর তীব্রতা বাড়তে পারে।

ডব্লিউএমও জানিয়েছে, এল নিনোর কারণে আবহাওয়ার চরম পরিস্থিতি দেখা দিলে আবাসন, পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর চাপ বাড়তে পারে। আগামী নভেম্বর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও বৃষ্টিপাতের ঘাটতি কৃষি উৎপাদন এবং পানির সরবরাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডব্লিউএমও এবং জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও জরুরি ত্রাণ সমন্বয়ক টম ফ্লেচার।

ফ্লেচার বলেন, এই এল নিনো এক বিশাল শক্তি, যেন ধ্বংসাত্মক এক গোলা। এটি লাতিন আমেরিকা, পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকা, এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা ও বন্যা বয়ে আনবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এর ফলে প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ আরও তীব্র খাদ্যসংকটের মুখে পড়তে পারেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo