শিরোনামঃ
প্রিপেইড মিটারের আওতায় আসছে বরিশাল নগরী। বাবার বাড়ি থেকে নাস্তা কম দেয়ায় বউকে মারধর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মৃত্যু মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা রুমিকে গ্রেপ্তার করতে চায় পুলিশ পিরোজপুরে কঁচা নদীতে অভিযান, আড়াই হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ বরিশালে ৯৫৩ পিস ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রাজিব সিকদার আটক বরিশালে বিধবার দুটি কাঁঠালগাছ কাটার অভিযোগ বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে থানা হেফাজতে জয় বাংলা স্লোগান, এসআই সহ ২ পুলিশ ক্লোজড পটুয়াখালীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে জেলেদের হামলা, পুলিশ আহত মাদরাসায় বলাৎকার বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার, হুঁশিয়ারি ধর্মমন্ত্রীর সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

থানা হেফাজতে জয় বাংলা স্লোগান, এসআই সহ ২ পুলিশ ক্লোজড

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Sunday, October 25, 2026,
  • 7 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: থানা হেফাজতে জয় বাংলা স্লোগান, এসআই সহ ২ পুলিশ ক্লোজড

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার হাজতে বসে ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা শাহ তপু। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থানার হাজতের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী ও কনস্টেবল আফসানা মিমিকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উমরপুর গ্রাম থেকে শাহ তপুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের শাহ ফিরোজ মিয়ার ছেলে। পরে একই গ্রামের শাহ শুকুর আলীর ছেলে শাহ জুয়েলকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় আসামি হিসেবে শাহ তপুকে গ্রেপ্তার করা হয়। নবীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসিফের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় শাহ তপুকে স্লোগান দিতে দেখা যায় ভিডিওতে। তাঁর সহযোগী শাহ জুয়েল কৌশলে ভিডিওটি ধারণ করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে ভিডিও ধারণকারী শাহ জুয়েলকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁকেও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একই মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

থানার হাজতের মতো একটি নিয়ন্ত্রিত স্থানে কীভাবে ভিডিও ধারণ করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাজতের ভেতরে মোবাইল ফোন কীভাবে প্রবেশ করল, ভিডিও ধারণের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা কোথায় ছিলেন এবং নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কি না—এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন বলেন, থানার হাজতখানার মতো স্পর্শকাতর স্থানে অবৈধভাবে ভিডিও ধারণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় শাহ জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে একই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা ডিউটি অফিসার এসআই মেহেদী ও কনস্টেবল আফসানা মিমিকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেবে।

তবে ভিডিও ধারণের ঘটনায় হাজতের নিরাপত্তাব্যবস্থায় ঠিক কী ধরনের ত্রুটি ছিল, তা নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo