শিরোনামঃ
তিন বছরের ব্যবধানে পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজ ১১১ থেকে কমে ২৯টি বরিশালে শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের ঝু’ল’ন্ত ম’র’দে’হ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা বরিশালে ক’কটে’ল সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার বরিশালের কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ, বাধ্যতামূলক অবসরে ৪৪তম বিসিএসের প্রবেশপত্রে জালিয়াতি পিএসসি’র সব পরীক্ষায় নিষিদ্ধ প্রার্থী এক সপ্তাহের ব্যবধানে বঙ্গোপসাগরে দুই ঘূর্ণিঝড়, বরিশাল উপকূলে বাড়ছে সতর্কতা এইচএসসির ফল বিপর্যয়, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি ১৯২৯ নির্দেশনার বাইরে গিয়ে নিজেরাই পরিচ্ছন্নতায়, সেলফি রোডে ঘাস কাটলেন বিভাগীয় কমিশনার-ডিসি মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে বিদেশি গাপ্পিকে ছাড়িয়ে দেশীয় নাপিত খয়রা 

খাল খনন শেষে ৬০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Saturday, August 8, 2026,
  • 59 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: খাল খনন শেষে ৬০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও অর্থের সঠিক ব্যবহারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নে ১০ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের কাজ শতভাগ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার পর অব্যয়িত ৬০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজা। তার সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয় এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মোশারফ হোসাইন প্রকল্পের বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গুঠিয়া ইউনিয়নের ১০ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের জন্য সরকার ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করার পরও ৬০ লাখ টাকা অব্যয়িত থাকে। পরে সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা বলেন, সরকারি প্রকল্পের অর্থ মূলত জনগণের করের টাকা। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে এই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর যে অর্থ উদ্বৃত্ত ছিল, তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ সরকার দেশের অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ব্যয় করতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার যে দায়িত্বই অর্পণ করুক না কেন, তা সততা, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা উচিত। সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে।



স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত পুরো অর্থ ব্যয় করাই সফলতার একমাত্র মানদণ্ড নয়; বরং নির্ধারিত কাজের গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে ব্যয় সাশ্রয় করে উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়াই প্রকৃত সুশাসন ও আর্থিক শৃঙ্খলার পরিচয়।

তাদের ভাষ্য, উজিরপুর উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সততার একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে এটি দেশের অন্যান্য সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।প্রতিবেদনটি জাতীয় সংবাদপত্রের ঢংয়ে নতুনভাবে লেখা হয়েছে এবং মূল তথ্য অক্ষুণ্ন রেখে আরও সাবলীল, প্রাঞ্জল ও পেশাদার ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo