শিরোনামঃ
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর কাবার সামনে শপথ, তবুও টেকেনি সংসার; প্রবাসীর ৪৯ লাখ টাকা আত্মসাত ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি ৪৫ দিনের শিশু, ১৪ দিন পর মায়ের কোলে ফিরল সাদিয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে বাকি ২ বছর কীভাবে সামলাবেন ট্রাম্প বরিশালে ৫০ বোতল কোডিন সিরাপসহ নারী মাদক কারবারি আটক বরিশাল বিভাগের ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শিক্ষা বোর্ডের শোকজ এসআরবির নতুন ডিজি ফারুক, শিল্প পুলিশসহ গুরুত্বপূর্ণ বড় পদে রদবদল জোড়া কবর জেগে ওঠা’র রহস্য উদ্ঘাটন করলো প্রশাসন নতুন দায়িত্ব পেলেন ইশরাক হোসেন জমি লিখে নেয়ার পর ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে গাছতলায় ফেলে দিল সন্তানরা

যে ৩ আমলে গুনাহ মাফের পাশাপাশি মর্যাদা বৃদ্ধি পায়

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Thursday, January 15, 2026,
  • 123 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক :: যে ৩ আমলে গুনাহ মাফের পাশাপাশি মর্যাদা বৃদ্ধি পায়

ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন-বিধান। যা অনুসরণ করে ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীর পরীক্ষায় উত্তম আমলের মাধ্যমে উত্তীর্ণরাই পরকালে সফল হিসেবে বিবেচিত হবেন। যাদের চিরস্থায়ী ঠিকানা হবে জান্নাত। আর সফল হতে না পারাদের জন্য রয়েছে চিরশাস্তির জাহান্নাম

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে এবং কিয়ামতের দিন তাদের পূর্ণমাত্রায় বিনিময় দেয়া হবে। যে ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করা হলো এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হলো, অবশ্যই সে ব্যক্তি সফলকাম হলো, কেননা পার্থিব জীবন ছলনার বস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়। (সুরা ইমরান, আয়াত: ১৮৫)

এ ক্ষেত্রে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসে উম্মতদের যেমন নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধের কথা জানিয়েছেন নবীজি (সা.), তেমনি বাতলে দিয়েছেন মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের পথও। এরমধ্যে একটি হাদিসে ৩টি আমলের কথা এসেছে, যার মাধ্যমে মহান রাব্বুল আলামিন বান্দার পাপ বা গুনাহ মাফের পাশাপাশি তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হলো- একবার সাহাবায়ে-কেরামদের উদ্দেশ্যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি কী তোমাদের এমন (কাজের) কথা বলব না, যা দ্বারা আল্লাহ তা’য়ালা পাপরাশি (গুনাহ) দূর করে দেবেন এবং মর্যাদা উঁচু করে দেবেন? তখন সাহাবায়ে-কেরামগণ বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই ইয়া রাসুলাল্লাহ (সা.)! পরে নবীজি (সা.) বললেন, তা হলো- অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণভাবে অজু করা, মসজিদে আসার জন্য বেশি পদচারণা এবং এক ওয়াক্তের নামাজ শেষে পরের ওয়াক্তের নামাজের জন্য অপেক্ষা করা।

ওই সময় নবীজি (সা.) সাহাবায়ে-কেরামদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন- জেনে রাখো, এটাই হলো রিবাত। (অর্থাৎ, নিজকে আটকে রাখা ও শয়তানের মুকাবিলায় নিজকে প্রস্তুত রাখা)। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৪৮০)

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo