শিরোনামঃ
পটুয়াখালীতে এতিমখানার ইলিশ ভাগাভাগি, মাদ্রাসাশিক্ষকসহ দুজনকে জরিমানা বরিশালে চাহিদার ৩০ ভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের কবলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ মাদক-কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত গডফাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ সরকারকে বিতর্কিত করতেই আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্য কি না, প্রশ্ন রিজভীর চেতনানাশক দিয়ে ধর্ষণের পর জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ খাওয়াতেন মাদ্রাসাশিক্ষক ৩৮ জনকে হত্যা করে মাংস খাওয়ার অভিযোগ, উগান্ডায় গ্রেফতার ভয়ংকর নরখাদক ডিভি লটারি: বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন? ৭ নভেম্বর বন্ধ থাকবে সব ব্যাংক সুস্থ থাকতে নবীজি সব সময় যে দোয়া পড়তেন সন্তানের সঙ্গে বাবা-মায়ের আচরণ কেমন হওয়া উচিত?

সালমান-আনিসুলের বিচার শুরু

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Tuesday, February 10, 2026,
  • 120 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

আইন ও আদালত :: সালমান-আনিসুলের বিচার শুরু

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে কার্ফু দিয়ে গণহত্যায় উসকানিসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাদের বিচারকাজ শুরু হয়েছে।  পরে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক  অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন।
এর আগে সকালে এ মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতেই মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।  চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সূচনা বক্তব্যে বলেন, শপথ নিয়েও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক প্রশ্রয় দিয়েছেন । মঙ্গলবার মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সূচনা বক্তব্যে সাবেক এই আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত দায় ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলার প্রধান দুই আসামি হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এর মধ্যে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন সালমান। আর আইন রক্ষার শপথ নিয়েও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে আইনি ও নীতিগত প্রশ্রয় দিয়েছেন সাবেক এই আইনমন্ত্রী। তদন্তে পাওয়া তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী জুলাই আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন দমনের নীলনকশা প্রণয়ন করেন তারা।

সরকারের শীর্ষ মহলের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে প্রাণঘাতী অস্ত্র, দেখামাত্র গুলির নির্দেশনা, হেলিকপ্টার থেকে গুলি বর্ষণসহ গ্রেপ্তার-নির্যাতনের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞ ছিল পূর্বপরিকল্পিত, পদ্ধতিগত, লক্ষ্যভিত্তিক ও ব্যাপক মাত্রায় সংঘটিত। এটি ছিল রাষ্ট্রযন্ত্র, রাজনৈতিক দলীয় ক্যাডার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনিক কাঠামোর সমন্বয়ে পরিচালিত একটি অপরাধী নেটওয়ার্কের ফল। এই অপরাধের লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করা। এই অপরাধ কেবল কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়নি; এটি একটি জাতির স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ ও অস্তিত্বের ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা প্রমাণাদির মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে এসব প্রমাণ করব।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo