আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: স্ত্রী সহ শশুর বাড়ির ৬ সদস্যকে খুন করে মরদেহ টুকরো করে ছড়িয়ে দিলেন শহরে
ভারতের বেঙ্গালুরুতে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ির একই পরিবারের ছয় সদস্যকে হ/ত্যার অভিযোগ উঠেছে এক ক্যাবচালকের বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের পর পরিচয় ও অপরাধের প্রমাণ আড়াল করতে মরদেহের বিভিন্ন অংশ শহরের একাধিক স্থানে ফেলে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্তের নাম ইন্দুশেখর। নিহত সাতজনের মধ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী সুনীতা, শাশুড়ি রূপবতী, দুই শ্যালক শিবকুমার ও শঙ্কর, দুই শ্যালিকা দিব্যা ও নলিনী এবং শ্যালক শঙ্করের সাত বছর বয়সী ছেলে পুনীত।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটানো হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রথমে নিজের স্ত্রী সুনীতাকে হত্যা করেন ইন্দুশেখর। পরে পারিবারিক অনুষ্ঠানে আপ্যায়নের কথা বলে দুই শ্যালককে বাড়িতে ডেকে নেন তিনি। সেখানে তাদেরও হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর শাশুড়ি, দুই শ্যালিকা ও সাত বছর বয়সী শিশুটিকেও হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধের আলামত গোপন করতে মরদেহের বিভিন্ন অংশ বেঙ্গালুরুর একাধিক স্থানে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি সামনে আসার পর পুলিশ ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোতে তদন্ত শুরু করে।
একটি পারিবারিক বিরোধ কীভাবে ভয়াবহ অপরাধে রূপ নিতে পারে, বেঙ্গালুরুর এই ঘটনা তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই পরিবারের সাতজনের মৃত্যুর অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশের তদন্তে হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ, ঘটনার পরিকল্পনা এবং অভিযুক্তের সম্পৃক্ততার বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।