শিরোনামঃ
সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে জালিয়াতি, প্রতারণা ও ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি, এলজিইডির প্রকৌশলীর বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক দুই দিনের সফরে কাল বরিশালে আসবেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ, গ্রেপ্তারের আবেদন বরিশালে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে জরিমানা বরিশাল সদর প্রাণিসম্পদ দপ্তরে ভুয়া তালিকা ও জাল স্বাক্ষরে প্রশিক্ষণ ফান্ডের অর্থ আত্মসাৎ বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে ৭০ ‘মৃত্যুফাঁদ’, পাঁচ বছরে প্রাণ গেছে ২৪০০ মানুষের ঝালকাঠিতে ডাকাতির অভিযোগে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আটক হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণ ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, ঘণ্টায় ৫০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ

বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Wednesday, October 19, 2022,
  • 269 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সকলকে মিতব্যয়ী হতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশে বিদ্যুৎ সংকট সব সময় থাকবে না বলেও জানান সরকারপ্রধান।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (আরএনপিপি) ইউনিট-২-এ রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল (আরপিভি) স্থাপন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্ব যখন অর্থনৈতিক মন্দা দেখা যায় তার ধাক্কাটা কিন্তু আমাদের উপর এসে পড়েন। আমাদের কিছুটা মিতব্যায়ী হতে হচ্ছে। তার মানে এই না বিদ্যুৎ দেশের মানুষ পাবে না। বিদ্যুৎ মানুষ পাচ্ছে, পাবে। সবাইকে একটি মিতব্যয়ী হতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের মিতব্যায়ী হতে হচ্ছে। পরিস্থিতির কারণে। যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে, তারপরও সেনশন দেওয়ার ফলে আরও বেশি সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আমি আশা করি পৃথিবীর অবস্থা থেকে খুব দ্রুত মুক্তি পাবে।

সরকারপ্রধান বলেন, ২০২৩ সালে প্রথম ও ২০২৪ সালে দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে যাবে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল সব ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার, আমরা দিয়েছি। কিন্তু বিশ্বে জ্বালানি সংকট চলছে, অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। এর প্রভাব বাংলাদেশে পড়েছে।

রূপপুর প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট ২০২৩ সালে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

প্রকল্পটির প্রায় ৫৩ শতাংশ আর্থিক অগ্রগতি এবং ৫৫ শতাংশ ভৌত অগ্রগতি হয়েছে। তবে প্রথম ইউনিটের সার্বিক অগ্রগতি ৭০ শতাংশ।

রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। জনশক্তি প্রশিক্ষণসহ প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ১২৬৫ কোটি টাকা ডলার এবং এর ৯০ শতাংশ রাশিয়া অর্থায়ন করে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo