শিরোনামঃ
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, টানা ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস ১০ লাখ টাকায় মাদকের চালান ছেড়ে দিলেন ৪ পুলিশ কর্মকর্তা তিনবার তুষারধস থেকে ফিরে  রোমাঞ্চকর অভিযানের গল্প শোনালেন বরিশালের সন্তান  এভারেস্টজয়ী মুহিত বরিশালে মহিলা আ.লীগ নেত্রী ও ইউপি সদস্য শিলার আত্মহত্যা এক কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি বাকেরগঞ্জের ছাত্রাবাস ৩৪ বছর ধরে পরিত্যক্ত: এখন অপরাধীদের আখড়া বরগুনায় অভিযানে ৩৫০০ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার ১ বিকাশে কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন, পিরোজপুরে ২ যুবক আটক থানচি-তিন্দুমুখ নৌপথ ৩০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো মসজিদকে মন্দির দাবি, বিজেপি নেতার শিবলিঙ্গ স্থাপনের ঘোষণা

ছাত্র পিটিয়ে শিক্ষক গেলেন কারাগারে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Saturday, March 4, 2023,
  • 272 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

ফেনীতে আবদুল আলিম (১৩) নামে এক মাদরাসাছাত্রকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগে শিক্ষক নুর উদ্দিনকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার নুর উদ্দিন উপজেলার সদর ইউনিয়নের চর খোয়াজ এলাকার নুরুল আফসারের ছেলে।

শুক্রবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় ওই ছাত্রের মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নুর উদ্দিনকে আসামি করে ফেনীর সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোনাগাজী পৌর এলাকা থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ হোসেন দাইয়ান বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে। শনিবার (৪ মার্চ) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে ফেনী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গত বুধবার (১ মার্চ) রাতে ফেনীর সোনাগাজী পৌর এলাকার তাকিয়া সড়কের তালিমুল কোরআন মাদরাসা অ্যান্ড জেনারেল এডুকেশন ইসলামিক ইনস্টিটিউটে এ ঘটনা ঘটে।

ছাত্রের মা কামরুন নাহার বলেন, আমার স্বামী বিদেশে থাকেন। বাড়ি থেকে মাদরাসা দূরে হওয়ায় আবদুল আলিম মাদরাসার ছাত্রাবাসে থাকতো। বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে আলিমের দুই সহপাঠী শিক্ষককে না বলে ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে বাজারে যায়। দীর্ঘক্ষণ ফিরে না আসায় রাত ১০টার দিকে আলিম তাদের খুঁজতে বের হয়। পরে তারা তিনজন ছাত্রাবাসে ফিরে আসে। এরপর শিক্ষক নুর উদ্দিন বৈদ্যুতিক তার দিয়ে আলিমকে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করেন।

 

এতে আলিম অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরদিন বৃহস্পতিবার ছেলে বাড়িতে ফিরে বিষয়টি আমাকে জানায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন দেখায়। তাৎক্ষণিকভাবে আমি ছেলেকে নিয়ে মাদরাসায় গিয়ে প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকদের বিষয়টি জানিয়ে প্রতিকার চাই। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। পরে ছেলেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করাই। শুক্রবার রাতে থানায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আসামি করে মামলা করি।

এ বিষয়ে কথা বলতে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল্লাহর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo