শিরোনামঃ
জনবল সংকটে ধুঁকছে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বাকেরগঞ্জে রহস্যজনক বিস্ফোরণ: অগ্নিদগ্ধ নারী-শিশুসহ ৩, ‘বালুর বস্তায় ছিল বোমা’ দাবি পরিবারের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও বরিশালের বাজারে সবজির আগুন, ৪০০ টাকা কেজি কাঁচা মরিচ বরিশালে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে বস্তাভর্তি সরকারি কম্বল! বরিশালের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ নিখোঁজ, কেয়ারটেকার-পাহারাদার গ্রেপ্তার শেখ হাসিনার চলে যাওয়া অলৌকিক মনে হচ্ছিল: ফখরুল বরিশালে ধর্ম পরিবর্তনের আশ্বাস ও বিয়ের প্রলোভনে মুসলিম নারীকে ধর্ষণ, হিন্দু যুবক গ্রেফতার চিপসের প্যাকেটে খেলনা বল, গলায় আটকে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

ঝালকাঠিতে কমছে নদীর পানি, দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন রোগ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Thursday, August 18, 2022,
  • 340 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

ঝালকাঠিতে কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি। বুধবার থেকে সুগন্ধা, বিষখালী, গাবখান ও বাসন্ডা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তবে পানি কমলেও এখনও নিম্নাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামের শতাধিক পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। এছাড়া পানিতে তলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বসতঘরের মেঝে, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ফসলের ক্ষেত।

এদিকে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, এলাকায় এখন বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে। পানিবন্দি এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ। শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন এসব রোগে। জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়া ও চর্মরোগে আক্রান্ত অনেকেই চিকিৎসা নিয়েছেন সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে।

 

রাজাপুর উপজেলার বাদুরতলা এলাকার মানিক হোসেন জানান, তার পরিবারের শিশুসহ তিনজন চর্মরোগ ও জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। তাদের রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঝালকাঠি সদরের নতুন কলাবাগান এলাকার মাসুম হোসেন বলেন, আমি রিকশা চালিয়ে সংসার চালাই। তিন দিন ধরে জ্বরে ভুগছি। আমার পরিবারে আরও দু’জন কাশিতে আক্রান্ত।

এ ব্যাপারে ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা. শিহাব উদ্দিন জানান, জলাবদ্ধতায় অনেক সময় পানিবাহিত রোগ হয়। এসব রোগে আক্রান্ত অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সিভিল সার্জন বন্যার্তদের ঘরের পাশে ও রাস্তায় জমে থাকা পানির মধ্যে না নামার পরামর্শ দিয়েছেন।

 

ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন জানান, ১০ আগস্ট সকাল থেকে নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। স্বাভাবিকের চেয়ে প্রথম পর্যায়ে ৩ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। রবিবার রাত পর্যন্ত তা ৩০ সেন্টিমিটারে রূপ নেয়। সোমবার থেকে বৃষ্টি কম হওয়া এবং মঙ্গলবারে বৃষ্টি না হওয়ায় পানি কমতে শুরু করে। পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও ২/৩দিন সময় লাগবে।

 

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo