শিরোনামঃ
তিন বছরের ব্যবধানে পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজ ১১১ থেকে কমে ২৯টি বরিশালে শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের ঝু’ল’ন্ত ম’র’দে’হ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা বরিশালে ক’কটে’ল সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার বরিশালের কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ, বাধ্যতামূলক অবসরে ৪৪তম বিসিএসের প্রবেশপত্রে জালিয়াতি পিএসসি’র সব পরীক্ষায় নিষিদ্ধ প্রার্থী এক সপ্তাহের ব্যবধানে বঙ্গোপসাগরে দুই ঘূর্ণিঝড়, বরিশাল উপকূলে বাড়ছে সতর্কতা এইচএসসির ফল বিপর্যয়, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি ১৯২৯ নির্দেশনার বাইরে গিয়ে নিজেরাই পরিচ্ছন্নতায়, সেলফি রোডে ঘাস কাটলেন বিভাগীয় কমিশনার-ডিসি মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে বিদেশি গাপ্পিকে ছাড়িয়ে দেশীয় নাপিত খয়রা 

আপনজনদের খুশি রাখার সহজ উপায়

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Sunday, January 25, 2026,
  • 141 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক :: আপনজনদের খুশি রাখার সহজ উপায়

বাইরের জগতের মানুষের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলা সহজ হলেও, অনেক সময় আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের খুশি রাখা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।

অথচ পরিবার হলো আমাদের প্রধান আশ্রয়স্থল, যেখানে সুখ ও শান্তি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। প্রিয়জনকে আনন্দিত রাখার মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে ছোট ছোট কিছু কাজ ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্যে।

কাউকে খুশি রাখার প্রথম শর্ত হলো তাকে এটি অনুধাবন করানো যে তিনি আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

কাউকে খুশি করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা। অনেক ক্ষেত্রে মানুষ তার সমস্যার সমাধান চায় না, বরং চায় কেউ একজন ধৈর্য ধরে তার মনের কথাগুলো শুনুক। একে অপরের জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখা এবং সেই সময়ে মোবাইল বা টেলিভিশনের মতো প্রযুক্তি থেকে দূরে থেকে শুধু নিজেদের মধ্যে কথা বলা সম্পর্কের গভীরতা বাড়ায়।

পরিবারের সদস্যদের কোনো ছোট কাজকেও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে দেখা উচিত। ধন্যবাদ বা প্রশংসাসূচক শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের কাজের স্বীকৃতি দিলে সম্পর্কের ইতিবাচকতা বৃদ্ধি পায়।

সহমর্মিতার গুণ যেকোনো সম্পর্ককে মজুত করে। পরিবারের কেউ সাহায্য চাওয়ার আগেই নিজে থেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ভুলত্রুটি ক্ষমা করার মানসিকতা ও ধৈর্য ধারণ করা জরুরি।

শিশুর জেদ সামলাতে অভিভাবকরা যা করতে পারেন
নিজের আনন্দকে সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া এবং ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখা অন্যদের ওপরও ভালো প্রভাব ফেলে। আনন্দদায়ক কোনো গল্প বা মুহূর্ত শেয়ার করা তাৎক্ষণিকভাবে সবার মন ভালো করে দিতে পারে।

প্রিয়জনকে খুশি করতে সব সময় দামী উপহারের প্রয়োজন হয় না। পছন্দের কোনো খাবার নিয়ে আসা কিংবা হাতে লেখা ছোট চিরকুট তাদের মনে বিশেষ জায়গা তৈরি করে। ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত একসঙ্গে খাওয়া বা কোথাও ঘুরতে যাওয়ার মতো গুণগত সময় কাটানো পারস্পরিক বন্ধন শক্ত করে।

মূলত প্রিয়জনের প্রয়োজন ও ভালো লাগার ভাষা বুঝে পদক্ষেপ নিলেই পরিবারে সুখ ও তৃপ্তি বজায় রাখা সম্ভব।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo