কাউখালীতে কালিগঙ্গা নদীর তীরে যাত্রীদের উঠানামার ব্রিজ নির্মাণ হওয়ায় দুর্ভোগের হাত থেকে রেহাই পেল এলাকাবাসী
কাউখালী প্রতিনিধি।
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কালিগঙ্গা নদীর তীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘাটে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ ও এলাকাবাসী। নদীতে ট্রলার বা নৌকা থেকে যাত্রী সাধারণের নিরাপদ ওঠানামার জন্য একটি ঢালাই ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে।
উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কালিগঙ্গা নদী তীরবর্তী এই ঘাটটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষ নদী পারাপারের ক্ষেত্রে এই ঘাটটি ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে এখানে কোনো স্থায়ী ঘাট না থাকায় কাদামাটি পাড়িয়ে এবং চরম ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীদের ট্রলারে উঠতে হতো। জোয়ারের সময় এই সমস্যা আরও প্রকট হয়ে দাঁড়াত।
জনভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে ও স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করার লক্ষ্যে সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবু সাঈদ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী মিলে একটি বিরিজ তৈরির উদ্যোগ নেন। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কিছু বরাদ্দ , ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অর্থায়ন ও স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রম এবং অর্থায়নে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
ফলে এখন শিশু ও বৃদ্ধসহ সাধারণ যাত্রীরা অনেক স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মাসুম ও কলেজ ছাত্রী শারমিন জানান, “আগে টলারে উঠতে গিয়ে অনেক সময় পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকতো।এখন আমাদের অনেক উপকার হয়েছে।
সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবু সাঈদ জানান, স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হল। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয়দের নিয়ে এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা এই বিরিজটি
নির্মাণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের সাথে পিরোজপুর জেলা শহরের যোগাযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংক্ষিপ্ত যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম সয়না হুলারহাট খেয়াঘাট। অত্র ইউনিয়নের ১০টি গ্রাম সহ পার্শ্ববর্তী নেছারাবাদ উপজেলার ৪/৫টি গ্রামের লোকজন সহজে এই পথ দিয়ে জেলা শহরে যাতায়াত করে।