শিরোনামঃ
সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে জালিয়াতি, প্রতারণা ও ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি, এলজিইডির প্রকৌশলীর বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক দুই দিনের সফরে কাল বরিশালে আসবেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ, গ্রেপ্তারের আবেদন বরিশালে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে জরিমানা বরিশাল সদর প্রাণিসম্পদ দপ্তরে ভুয়া তালিকা ও জাল স্বাক্ষরে প্রশিক্ষণ ফান্ডের অর্থ আত্মসাৎ বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে ৭০ ‘মৃত্যুফাঁদ’, পাঁচ বছরে প্রাণ গেছে ২৪০০ মানুষের ঝালকাঠিতে ডাকাতির অভিযোগে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আটক হরমুজ প্রণালিতে মাইনের আঘাতে তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণ ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, ঘণ্টায় ৫০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে বাতাসের গতিবেগ

উত্তরবঙ্গে বৃহত্তর কালীপূজা লালপুরে, ৩৩ ফুট লম্বা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Monday, October 31, 2022,
  • 373 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

এ জেড সুজন মাহমুদ, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের লালপুরের বুধপাড়া বৃহত্তর কালী মন্দিরে সাতদিন ব্যাপী ৫৩৩ তম কালীপূজা উদযাপিত হয়েছে। এবছর ৩৩ ফুট হাতের হিসেবে ২২ হাত লম্বা প্রতিমা উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় প্রতিমা বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাক ঢোল, শঙ্ক আর উলু ধ্বনিতে মুখরিত মন্দির প্রাঙ্গণ।আসপাশেই বসছে প্রায় ১ কিলোমিটার বেপি মেলা। ভক্তকুল আর দর্শনার্থীতে সরগরম পুরো এলাকা।
এবিষয়ে লালপুর উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার সরকার বলেন, উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় কালীপূজো হচ্ছে এখানে। যার উচ্চতা প্রায় ৩৩ ফুট- হাতের হিসেবে ২২ হাত, পাক-ভারত উপমহাদেশের প্রাচীনতম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির অন্যতম এই মন্দিরে পূজা চলাকালীন ২ শতাধিক পাঁঠা বলি হয়ে থাকে। এছাড়া শুভশক্তির বিজয়ের এ দেবীকে মিষ্টান্ন, অন্ন বা লুচি, মাছ ও মাংস উৎসর্গ করা হয়। এখানে দূরদুরান্ত এমনকি দেশের বাহিরের থেকেও অনেক ভক্তরা অর্চনা দিতে আসেন এখানে।

মন্দির কমিটি সূত্রে জানা যায়, নবাবী আমলে বর্গি হাঙ্গামায় ভারতের মুর্শিদবাদের বহরমপুর খাগড়া থেকে ৬০ ঘর কাঁসা শিল্পী উপজেলার বুধপাড়ায় বসতি গড়েন। তাঁরা বঙ্গাব্দ ৮৯৭ সালে (১৪৯০ খ্রি.) অর্থাৎ ৫৩৩ বছর আগে শ্রীষচন্দ্র চক্রবর্তীর দানকৃত জমিতে কালীপূজা অর্চনার জন্য মন্দির নির্মান করেন। বাংলা ১৩৩২ সালে জনৈক লাল কেনেডিয়ার স্ত্রী জানকী বাঈ-এর অনুদানে মন্দিরটি পাকা করা হয়। প্রতি বছর কার্তিক মাসে কালীপূজা ও সপ্তাহ ব্যাপী মেলা চলে। তবে প্রাচীনতম এই মন্দিরের উন্নয়নকল্পের হাজার বিঘা জমি বেদখলে রয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।
এবিষয়ে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন সাহা বলেন, দুয়ারিয়া, মহেশ্বর, টিটিয়া, বুধিরামপুর, বৈদ্যনাথপুর, গোপালপুর ও গুরুদাসপুর মৌজায় মন্দিরের নামে প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমি রয়েছে। মন্দির চত্ত্বরের প্রায় আট বিঘা জমি ছাড়া সব বেদখল হয়ে আছে। এবিপুল পরিমাণ সম্পত্তি উদ্ধারে

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo