শিরোনামঃ
সব ধরনের দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যেও মিললো মাইক্রোপ্লাস্টিক বরিশাল সিটি করপোরেশনে চাকরি পেলেন তৃতীয় লিঙ্গের অভি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বরিশালেখাল-সড়ক দখল করে বাঁশের ব্যবসা, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের মিরপুরের ফ্ল্যাট জব্দ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের অপেক্ষায় ভারত কাটছে না গ্যাস সংকট, রান্নায় বিদ্যুৎ ব্যবহারে বাড়তি খরচের বোঝা   বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রশ্রয় দেয়া বন্ধ করতে হবে: ভারতীয় হাইকোর্ট জিপিএইচ ইস্পাতকে ৫ কোটি টাকা জরিমানা, জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয়ের নির্দেশ ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ 

বরগুনায় স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড কমে যাবজ্জীবন

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Sunday, January 29, 2023,
  • 301 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

২০০৩ সালে বরগুনায় স্ত্রী মালতি বেগমকে হত্যার দায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবদুল জলিলের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স খারিজ ও আসামির আপিল খারিজ করে রোববার বিচারপতি সহিদুল করিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম মাসুদ রানা। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী নাফিউল মাজিদ ও আইনজীবী উম্মে ছালমা।

আইনজীবী এম মাসুদ রানা জানান, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ছিল ত্রুটিপূর্ণ। এছাড়া সাক্ষীদের বক্তব্য পরস্পর বিরোধী ছিল। শুনানিতে এসব বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। রায়ে আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন দিয়েছেন। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে অনাদায়ে ছয় মাসের দণ্ড দিয়েছেন।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আবদুল জলিল জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বাইনচটকি গ্রামের নয়া মিয়ার ছেলে।

১৯৯৮ সালে আবদুল জলিল ও ফরিদপুরের মালতি বেগমের বিয়ে হয়। পারিবারিক কলহের জেরে ২০০৩ সালের ২৮ আগস্ট মালতিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর তার মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির পেছনে পোড়াবাড়ির বাগানে পুঁতে রাখা হয়। পরদিন মালতির মরদেহ শেয়াল-কুকুরকে খেতে দেখে প্রতিবেশীরা কাকচিড়া পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় কাকচিড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. একরামুল বাদী হয়ে মালতির স্বামী, দুই দেবর, ননদ ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০০৪ সালের ৮ এপ্রিল সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার শেষে ছয়জনকে খালাস দিয়ে মালতির স্বামী জলিলকে ২০১৭ সালের ৯ মে মৃত্যুদণ্ড দেন বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু তাহের।

এরপর মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিল করেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo