শিরোনামঃ
অবশেষে আলোর মুখ দেখছে বরিশাল কবি জীবনানন্দ দাস স্টেডিয়াম বরিশালে কলেজ ছাত্রের হাত বি°চ্ছি°ন্ন করার মা°ম°লার আ°সামি হিমেল গ্রে°ফ°তার। করোনা ব্যবস্থাপনা ফোকাল পার্সন ডাঃ এস এম, মনিরুজ্জামান পরিচালক স্বাস্থ্য বরিশাল বিভাগীয় পদে যোগদান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজ জেলায় মাদক বন্ধ করতে পারে না, সারাদেশে কীভাবে করবে? বরিশালের ২০০ পিস ইয়াবাসহ ব্রাজিল সমর্থক গ্রেপ্তার সৌদি আরবে নতুন ভিসা প্যাকেজ চালু খালেদা জিয়া বেতনের ১ টাকা রেখে বাকিটা এতিমখানায় দান করতেন চট্টগ্রামে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি, পাহাড় ধসের শঙ্কা ভোলাহাটে তহশিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল ইসলাম গ্রহণ করলেন অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলার টেটে ইয়ঙ্গি

ভোলাহাটে তহশিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Tuesday, July 7, 2026,
  • 32 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: ভোলাহাটে তহশিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

 

ভোলাহাটে তহশিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল
ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মফিজুল
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা প্রদান, নামজারি (খারিজ), খাজনা আদায় ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রমে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যা ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি কক্ষে টেবিলের সামনে বসা এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে মফিজুল ইসলাম টাকা গ্রহণ করেন। পরে তিনি সেই টাকা গুনে নিজের পকেটে রেখে দেন। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভূমি অফিসে কাজ করেন বলে পরিচয় দেওয়া (দালাল) এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমরা কাজ করে দিই। কাগজপত্র ঠিক থাকলে খারিজ করতে ৬ হাজার টাকা নিই। আবার কেউ কেউ আছে উম্মুক ধুম্মুক টাকা লাই, সেগুলো আমরা করি না। আর চেক কাটলে ২০০ টাকা, কখনো ২ হাজার, আবার কখনো ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।’

জামবাড়িয়া ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতা মো. আলিমুদ্দীন অভিযোগ করে বলেন, ‘তারা যার কাছ থেকে যেমন পারছে, তেমনভাবে টাকা নিচ্ছে। আমার একটি দলিলের জন্য ৬ হাজার টাকা চেয়েছিল। পরে দুটি দলিলের কথা বললে ৯ হাজার টাকা দাবি করে। কোনো উপায় না পেয়ে আমি দুটি দলিল খারিজের জন্য ৯ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।’

এ ছাড়া ওই ইউনিয়নের কয়েকজন সেবাগ্রহীতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, ‘ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রকাশ্যেই ঘুষের লেনদেন হয়। টাকা ছাড়া কোনো কাজ করা হয় না। নির্ধারিত টাকার চেয়ে কম দিতে চাইলে কাজ হয় না।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মফিজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলুন।

ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমরা প্রাথমিকভাবে তদন্ত করছি। যেহেতু একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo