শিরোনামঃ
অবশেষে আলোর মুখ দেখছে বরিশাল কবি জীবনানন্দ দাস স্টেডিয়াম বরিশালে কলেজ ছাত্রের হাত বি°চ্ছি°ন্ন করার মা°ম°লার আ°সামি হিমেল গ্রে°ফ°তার। করোনা ব্যবস্থাপনা ফোকাল পার্সন ডাঃ এস এম, মনিরুজ্জামান পরিচালক স্বাস্থ্য বরিশাল বিভাগীয় পদে যোগদান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজ জেলায় মাদক বন্ধ করতে পারে না, সারাদেশে কীভাবে করবে? বরিশালের ২০০ পিস ইয়াবাসহ ব্রাজিল সমর্থক গ্রেপ্তার সৌদি আরবে নতুন ভিসা প্যাকেজ চালু খালেদা জিয়া বেতনের ১ টাকা রেখে বাকিটা এতিমখানায় দান করতেন চট্টগ্রামে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি, পাহাড় ধসের শঙ্কা ভোলাহাটে তহশিলদারের ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল ইসলাম গ্রহণ করলেন অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলার টেটে ইয়ঙ্গি

চট্টগ্রামে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি, পাহাড় ধসের শঙ্কা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Tuesday, July 7, 2026,
  • 25 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: চট্টগ্রামে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি, পাহাড় ধসের শঙ্কা

 

চট্টগ্রামে ৩৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি, পাহাড় ধসের শঙ্কা
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামে টানা ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় নগরীতে ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা এই মৌসুমের অন্যতম সর্বোচ্চ।

ভারী এই বৃষ্টির কারণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মির্জা খাল প্রকল্পের প্রায় ৩০ শতাংশ কাজ এখনো বাকি রয়েছে, আর সে কারণেই ভারী বৃষ্টিতে নগরের কোথাও কোথাও পানি উঠে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

মেয়র জানান, নগরবাসীকে জলাবদ্ধতামুক্ত রাখতে তিনি নিজে গত তিন দিন ধরে রাত-বিরাতে এলাকায় এলাকায় ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, যা আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে ভারী বর্ষণ। আজ গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩০.৮ মিলিলিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়।

বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে আর্দ্র বাতাস নিয়ে আসছে, যা মেঘ তৈরি করছে। সম্প্রতি সৃষ্ট একটি মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি আরও বেড়ে যায়। নিম্নচাপটি বর্তমানে ভারতের ঝাড়খন্ড-ওডিশা এলাকায় সরে গেলেও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আরও অন্তত এক সপ্তাহ বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে পাহাড়ধসের ঝুঁকি মাথায় রেখে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় ও উপকূল এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। প্রয়োজনে স্কুল-কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসাকেও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, স্থানীয়ভাবে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি থাকায় ঝুঁকি বেড়েছে এবং ছয়জন সহকারী কমিশনারের নেতৃত্বে একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo