শিরোনামঃ
ব্যাংক খাতে সেবা মাশুল বাড়ানোর প্রস্তাব, গ্রাহকের খরচ বৃদ্ধির শঙ্কা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ২৪ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধ, তীব্র যানজট বরিশালের হাজী মোহাম্মদ মহসিন হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ীদের উন্মুক্ত কণ্ঠভোটে নতুন ব্যবসায়ী কমিটি গঠন ফ্রান্সকে ২-০ গেলর হারিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন ৩ মাসের শিশুর পা ভেঙে দেয়ার চেষ্টা: ভাইরাল সেই ভিডিওর ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ পাওয়ার গ্রিডে ট্রান্সফরমারে শর্ট সার্কিট, আনসারের তৎপরতায় এড়ানো গেল বড় দুর্ঘটনা দেশের ৩ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে বাউফলে ৩৯০ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার যাদের ফার্মের মুরগি বলছেন, তাদের বন্ধুরা শহীদ হয়েছে বলেই আপনি শিক্ষামন্ত্রী

ব্যাংক খাতে সেবা মাশুল বাড়ানোর প্রস্তাব, গ্রাহকের খরচ বৃদ্ধির শঙ্কা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Wednesday, July 15, 2026,
  • 41 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: ব্যাংক খাতে সেবা মাশুল বাড়ানোর প্রস্তাব, গ্রাহকের খরচ বৃদ্ধির শঙ্কা

আধুনিক আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থায় ব্যাংকের বিকল্প নেই। নানা প্রয়োজনেই ব্যাংকের সেবা নিতে হয়ে গ্রাহকদের। জমানো টাকার নিরাপত্তা ছাড়াও সঞ্চয় কিংবা আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য কোনও কিছুই ব্যাংক ছাড়া সম্ভব নয়।

কিছু সেবার বিনিময়ে নির্দিষ্ট ফি বা মাসুল নিয়ে থাকে ব্যাংক। আবার কিছু সেবা বিনামূল্যেও দিয়ে থাকে। হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ, ঋণ প্রসেসিং, স্বচ্ছলতা সনদ, পে অর্ডার ইস্যুর মাসুল বাড়াতে চায় ব্যাংকাররা। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সঞ্চয়ী হিসাব থেকে মাসে তিনবারের বেশি টাকা উত্তোলন করলে মাসুল দিতে হবে গ্রাহককে।

নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে বেকায়দায় পড়বে ব্যবসায়ীরা। খরচ বাড়বে আমদানি-রফতানিতেও। বর্তমানে বিনা মাসুলে ঋণপত্র খোলা গেলেও নতুন প্রস্তাবে ২ হাজার টাকা দিতে হবে গ্রাহককে। এলসি সংশোধন ফি বেড়ে হবে দ্বিগুণ। নথি অ্যান্ডোর্সমেন্ট এবং এলসি বাতিলের আবেদনে মাসুল দিতে হবে। রফতানি বিল সংগ্রহ এবং ব্যাংক গ্যারান্টি কমিশন বাড়িয়ে দ্বিগুণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেছেন, ১০ বছর আগে যে ভাড়া-ইউটিলিটির খরচ ছিল; সাথে অন্যান্য সার্ভিস চার্জ— সেগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আমাদের এটা তো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। তো কিছুটা হলেও তো আমার খরচ তুলতে হবে। সে জন্যই আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুরোধ করেছি, কিছু কিছু চার্জের বিষয়ে বিবেচনা করার জন্য।মাসুল বৃদ্ধিতে ব্যাংকের প্রতি অনীহা বাড়তে পারে গ্রাহকদের। যা আর্থিক অন্তর্ভূক্তি ও ক্যাশলেস সমাজ গঠনের পরিপন্থী। তাই ব্যাংকারদের প্রস্তাব অনুমোদনের ক্ষেত্রে সেটিও বিবেচনায় নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক চাচ্ছে একটা ক্যাশলেস ইকোনমি করতে, যেখানে মানুষের হাতে টাকা থাকবে না। টাকাগুলো আমাদের ওয়ালেটে থাকবে। সেটা এমএফএসের হোক বা ব্যাংকের হোক। এই সময় ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ধরনের ফি বা চার্জ আরোপ করে সাধারণ মানুষকে ব্যাংকের প্রতি একটা অনিহা সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই ধরনের আবদারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকবার চিন্তা করবে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo