স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা :: শিশুদের পানিবাহিত রোগ নিয়ে কথা বলেছেন নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ
বাংলাদেশে বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। উচ্চ তাপমাত্রা, নিরাপদ পানির স্বল্পতা, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন এবং খাদ্য দূষণের কারণে বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এসব রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক কম হওয়ায় তারা পানিবাহিত সংক্রমণের ঝুঁকিতে বেশি থাকে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস এ ও ই, কলেরা, আমাশয় এবং ডায়রিয়া এই মৌসুমে শিশুস্বাস্থ্যের জন্য অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। এই বিষয়ে চ্যানেল 24 অনলাইনের সঙ্গে শিশুদের পানিবাহিত রোগ নিয়ে কথা বলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আশরাফুল আমিন চৌধুরী
পানিবাহিত রোগ নিয়ে কথা বলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আশরাফুল আমিন চৌধুরী।
পানিবাহিত রোগ নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে ডা. আশরাফুল আমিন চৌধুরী বলেন, পানিবাহিত রোগ হলো এমন সংক্রমণ, যা মূলত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। গরমের সময় জীবাণুর বংশবৃদ্ধি দ্রুত হয় এবং পানির উৎস সহজেই দূষিত হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে হাত ধোয়ার অভ্যাসে অবহেলা, খোলা খাবার গ্রহণ এবং অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থাও রোগ বিস্তারের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করে। প্রধান পানিবাহিত রোগ: প্রতিবছরই পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু হয়। পরিবারের সদস্যদের সচেতনতার অভাবের কারণেই এই সমস্যা দেখা দেয়। তাই প্রধান পানিবাহিত রোগগুলোর বুস্যে যাতে চাইলে ডা. আশরাফুল আমিন চৌধুরী রোগগুলোর লক্ষণ নিয়েও কথা বলেন। এগুলো হলো:
১.টাইফয়েড জ্বর: টাইফয়েড জ্বর একটি গুরুতর ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, যা সালমোনেলা টাইফি জীবাণুর কারণে হয়। দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে এটি শরীরে প্রবেশ করে এবং রক্তের মাধ্যমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
লক্ষণ: দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, পেটব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য এবং কখনও কখনও শরীরে লালচে র্যাশ।