শিরোনামঃ
সব ধরনের দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যেও মিললো মাইক্রোপ্লাস্টিক বরিশাল সিটি করপোরেশনে চাকরি পেলেন তৃতীয় লিঙ্গের অভি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বরিশালেখাল-সড়ক দখল করে বাঁশের ব্যবসা, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের মিরপুরের ফ্ল্যাট জব্দ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের অপেক্ষায় ভারত কাটছে না গ্যাস সংকট, রান্নায় বিদ্যুৎ ব্যবহারে বাড়তি খরচের বোঝা   বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রশ্রয় দেয়া বন্ধ করতে হবে: ভারতীয় হাইকোর্ট জিপিএইচ ইস্পাতকে ৫ কোটি টাকা জরিমানা, জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয়ের নির্দেশ ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ 

কাটছে না গ্যাস সংকট, রান্নায় বিদ্যুৎ ব্যবহারে বাড়তি খরচের বোঝা  

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Thursday, July 30, 2026,
  • 4 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: কাটছে না গ্যাস সংকট, রান্নায় বিদ্যুৎ ব্যবহারে বাড়তি খরচের বোঝা

ঢাকায় টানা তীব্র গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আবাসিক গ্রাহকরা। দিনের বেশিরভাগ সময়ই অনেক এলাকায় গ্যাসের চাপ এতটাই কম থাকে যে, চুলায় আগুন জ্বলে মিটমিট করে। ফলে সময়মতো রান্না শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। এক ঘণ্টার রান্না শেষ করতে লেগে যাচ্ছে দু-তিন ঘণ্টা।

এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে অনেক পরিবার বৈদ্যুতিক হিটার, ইন্ডাকশন ওভেন কিংবা রাইস কুকারে রান্না করছেন। আবার অনেকে রান্না করতে না পেরে হোটেল-রেস্তোরাঁর খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। এতে সীমিত আয়ের অনেক মানুষের প্রতিদিনের খরচ বেড়ে গেছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আদাবর, ধানমন্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগ, রামপুরা, বাড্ডা, খিলগাঁও, বাসাবো, মালিবাগ, উত্তরা ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এসব এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভোর কিংবা গভীর রাত ছাড়া অধিকাংশ সময় গ্যাসের চাপ থাকে না বললেই চলে। কোথাও কোথাও চুলা জ্বললেও সেই আগুনে একটি তরকারি রান্না করতেই দু-তিন ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে।

মোহাম্মদপুরের গৃহিণী রাজিয়া আক্তার বলেন, সকালে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর আগে নাশতা তৈরি করতে পারি না। চুলায় আগুন এত কম যে ডিম সেদ্ধ করতেও অনেক সময় লাগে। বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে বিদ্যুৎ বিল অনেক বেড়ে যাচ্ছে।

মিরপুরের বাসিন্দা রুকাইয়া জানান, কয়েকদিন ধরে দুপুর ও রাতে রান্না করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রায়ই হোটেল থেকে খাবার কিনে আনতে হচ্ছে। এতে মাসিক খরচ অনেক বেড়ে গেছে।

গ্যাস সংকটের প্রভাব শুধু বাসাবাড়িতেই সীমাবদ্ধ নয়। ঢাকার বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনেও গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিয়েছে। অনেক স্টেশন সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাচ্ছেন না চালকরা। এতে তাদের আয়ও কমে গেছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় আবাসিক, শিল্প ও সিএনজি—সব খাতেই এর প্রভাব পড়ছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের স্বল্পচাপ অব্যাহত থাকতে পারে।

ভুক্তভোগী গ্রাহকরা দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে একই সমস্যায় ভুগলেও স্থায়ী সমাধান না পাওয়ায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে কর্মজীবী পরিবার ও শিশুদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রান্নার জন্য অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করায় একদিকে যেমন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে বিদ্যুতের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস জানিয়েছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে আরএলএনজি (পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি) সরবরাহ প্রায় ৪৫০ এমএমসিএফডি হ্রাস পেয়েছে। এ কারণে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তিতাস গ্যাস অধিভুক্ত এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ বিরাজ করবে

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo