নিউজ ডেস্ক :: নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ
পটুয়াখালীর বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা থেকে সব ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন অবিলম্বে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে
রোববার (১৬ আগস্ট) এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি আহমদ সোহেল ও বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন।
রিটকারী আইনজীবী জানান, তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত অংশ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
এ ছাড়া বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ধারা ৯(১)(বি) অনুযায়ী হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে ছাড়া জারি করা বালুমহাল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় সব ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।
আদালত একইসঙ্গে সরকারি দপ্তরের নথিতে ভুল বা অপ্রচলিত নামে, যেমন ‘বুড়া গৌরাঙ্গ নদী’, রেকর্ডভুক্ত এলাকাগুলো সংশোধন করে প্রকৃত ‘তেঁতুলিয়া নদী’ নামে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিটে ভূমি সচিব, পানি সম্পদ সচিব, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক, বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের পটুয়াখালীর ডেপুটি ডিরেক্টরসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।