শিরোনামঃ
১২ জেলায় বন্যা ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা  জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বরিশালে একদিকে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল, অন্যদিকে তীব্র লোডশেডিং: চরম ভোগান্তিতে গ্রাহক পটুয়াখালীতে যৌনকর্মীর ঘরে মিলল ব্যবসায়ীর মরদেহ ঝালকাঠিতে নতুন কার্পেটিং সড়ক কেটে কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা: অমান্য করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি তথ্য উপদেষ্টার বরিশাল প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ঘিরে ঢাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বাংলাদেশি ওমরাহযাত্রীদের জন্য সৌদির নতুন সিদ্ধান্ত, শর্ত পূরণ ছাড়া মিলবে না ভিসা নিম্নমানের সাড়ে ১১ হাজার টন চাল পাঠিয়েছে ভারত, ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

পটুয়াখালীতে ১৪ ইঞ্চির বাছুর জন্ম!

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Monday, April 10, 2023,
  • 295 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় ১৪ ইঞ্চি উচ্চতার একটি বাছুরের জন্ম হয়েছে। গত ২৫ মার্চ জন্ম নেওয়া ১২ কেজি ওজনের বাছুরটিকে দেখতে প্রতিদিনই উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের চরশিবা গ্রামের কৃষক সাখাওয়াত মাতুব্বরের বাড়িতে ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষজন।

দেখেত ছাগল ছানার থেকে সামান্য বড় বাছুরটি দেশের মানুষের দেখার জন্য চিড়িয়াখানায় বা প্রাণী সম্পদ গবেষণার কাজে দিতে চান বলে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাখাওয়াত। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাধারণত দেশি জাতের বাছুর প্রসবের সময় ওজন হয় গড়ে ২৫ থেকে ৩০ কেজি। উচ্চতা থাকে ২৫ থেকে ৩৩ ইঞ্চি।

গাভি গর্ভধারণের ৯ মাস ১০ দিন পরে বাছুরে জন্ম হয়। কিন্তু সাখাওয়তের দেশি জাতের গাভি সঠিক সময়ের একমাস আগে গত ২৫ মার্চ বাছুরটি প্রসব করে। কৃষক সাখাওয়াত বলেন, আমার দেশি জাতের গরুটি এই বাছুর প্রসব করে। এর আগেও ওই গাভিটির আরো একটি বাছুর হয়েছিল। তার মধ্যে একটি মারা গেছে।

তবে দুটি বাছুরই স্বাভাবিক আকারের হয়েছিল। যেটি বেঁচে আছে তার কোনো সমস্যা নেই। এবার গাভিটি আরও একটি বাছুর জন্ম দিয়েছে তবে, এই বাছুরটি অনেক ছোট। তিনি আরও বলেন, এমন ছোট বাছুর আমি আগে দেখিনি। বাছুরটি এতই ছোট যে সে তার মায়ের দুধের নাগাল পাচ্ছে না। আর গরুটিও তার বাছুরটিকে মেনে নিচ্ছে না।

কাছে গেলেই লাথি মেরে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এ কারণে গাভিটির দুধ ফিডারে ভরে বাছুরটিকে খাওয়াতে হচ্ছে। গাভিটিকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে প্রতিদিন চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, আমি এই বাছুরটি চিড়িয়াখানা অথবা প্রাণিসম্পদ গবেষণার কাজে দিতে চাই।

চরশিবা গ্রামের কৃষক জসিম শিকদার জানান, বাছুটি দেখলে মনে হবে এটি একটি ছাগল ছানা। এত ছোট বাছুর আর কখনো দেখিনি। বাছুরটির ছোটাছুটি দেখতে ভালোই লাগছে। একই ইউনিয়নের যুবক শামসু মিয়া জানান, আমাদের বাড়ি পাশের গ্রামে। এই বাছুরটি দেখতে এখানে এসেছি। দেখতে বেশ ভালোই লেগেছে। বাছুরটির সঙ্গে কয়েকটা ছবিও তুলেছি।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আল হেলাল জানান, এটি কি জাতের বাছুর সেটা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। তবে প্রাণীসম্পদ অফিসের সাথে কথা বলে এটির রেকর্ডে রাখা যায়া কিনা সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo