শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণা উপস্থাপনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরহাদ, অপেক্ষায় আরও নতুন গবেষণা পটুয়াখালীতে চো’রাই ছাগলসহ দুই যুবককে আটক করে পুলিশে দিল জনতা পায়রা বন্দরে ৬২ হাজার টন কয়লা নিয়ে ভিড়ল মাদার ভ্যাসেল বরিশালের ৩০ খাল পুনরুদ্ধার ও সৌন্দর্যবর্ধনে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন বরিশালে কোচিং সেন্টারের পাটাতন ভেঙে খালে পরে ৩০ শিক্ষার্থী আ’হ’ত ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদকবিক্রেতা গ্রেপ্তার আগামী বছরও ঈদুল ফিতরে ৫, আজহায় ৬ ও পূজায় ২ দিন ছুটি বরিশালে সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করলেন হৃদয় কুমার দাস বর্তমান নাম মো: আব্দুল্লাহ আল রাকিব। পিরোজপুরে ছাত্রদলের দুই পক্ষের বি’রো’ধে ৫ জনকে কু’পি’য়ে জ’খ’ম, আটক ১ অনলাইনে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ২

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইমঃ Thursday, October 27, 2022,
  • 332 সংবাদটি পঠিক হয়েছে

দিনের নানা ব্যস্ততার পরে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন চত্বর, মুক্তমঞ্জে, শহীদ মিনার, টিএসসিসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থীরা বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে আড্ডা, গ্রুপস্টাডিতে মেতে উঠে। কিন্তু একটু অন্ধকার নামলেই ক্যাম্পাস হয়ে উঠে মশার আবাসস্থল। ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে এ নিয়ে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে শিক্ষার্থীদের।

একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনগুলোর মাঝখানে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, বিভিন্ন জায়গার অপরিচ্ছন্ন পুকুর ও খালগুলোর জলাবদ্ধতা এবং প্রচুর ঝোপঝাড়ের কারণে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) মশার উৎপাত বেড়েছে। তাছাড়া সময়মতো মশা নিধনের কোনো ব্যবস্হাও নেই। বড় ভোগান্তিতে পড়েছে আবাসিক শিক্ষার্থীরা। আবাসিক হলগুলোর কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হলের তৃতীয় তলা পর্যন্ত মশার উপদ্রব বেশি। হলগুলোর আশেপাশে প্রচুর ঝোপঝাড়, জঙ্গল ও অপরিচ্ছন্ন জলাবদ্ধ জায়গাগুলোর কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রহমতউল্লাহ খাঁন হাসিব বলেন, বর্তমানে বরিশালসহ সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি করছে। এছাড়াও, মশার কামড়ে নানা রোগের ভাইরাস ছড়ায়। তাই, মশার কামড় থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য মশার ওষুধ ছিটানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবে এটাই প্রত্যাশা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো. তানজীন হোসেন বলেন, ওয়েদার ইফেক্টের কারণে শীতের শুরুতে মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। তাই এ সময়টায় উচিত মশা নিধনের জন্য যে স্প্রে ও ওষুধ রয়েছে তা নিয়মিত প্রয়োগ করা এবং ক্যাম্পাস পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। সাধারণত অপ্রবাহিত ডোবা বা ছোট পুকুর অপরিচ্ছন্ন থাকলে, সেগুলো থেকে মশার জন্ম হয়। এছাড়া, ভার্সিটিতে অনেকে ময়লা, ডাবের খোসা, পলিথিন ফেলে। এইসবে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা জন্ম নেয়। আমি মনে করি, ক্যাম্পাসে এধরণের আবর্জনা পরিষ্কার করা এবং এক্ষেত্রে সচেতনতা ও প্রতিরোধটাই জরুরি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. মো. খোরশেদ আলম বলেন, করোনার শেষে ক্যাম্পাস খোলার পর আমরা সিটি কর্পোরেশনকে মশা নিধনের জন্য বলেছিলাম এবং তাঁরা এসে কয়েকবার মশা নিধনের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে, আমরা আবার বলবো এবং আশেপাশের যে ঝোপঝাড় আছে তা পরিষ্কার করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিব।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ ...

© All rights reserved © 2021
Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo